ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৪:৩৯ ঢাকা, শনিবার  ২২শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

এরশাদ
সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ, ফাইল ফটো

‘জাতীয় পার্টির সমর্থন ছাড়া ক্ষমতায় যেতে পারবে না আ’লীগ’

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা এখন শূন্যের কোঠায়। তাই জাতীয় পার্টির সমর্থন ছাড়া তাদের পক্ষে ক্ষমতায় যাওয়া সম্ভব নয়।

বুধবার গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার দিলারা খন্দকারের বাসভবনে ইফতারপূর্ব আলোচনা প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এইচ এম এরশাদ বলেন, অতীতের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণ দেশবাসী এখন জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় দেখতে চায়।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে নানাভাবে সমর্থন দিলেও তারা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। তাই এবার জনসমর্থনে বলিয়ান জাতীয় পার্টি আগে জানতে চায় তারা কি পাবে, তারপর নির্বাচনে যাওয়ার চিন্তা করবে।

এরশাদ বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল তাদের নেতৃত্বাধীন জোটে থাকতে রাজি হলে যা চান তাই পাবেন। কিন্তু তারা কথা রাখেননি।

একইভাবে আওয়ামী লীগও দলের সাবেক সেক্রেটারি আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে দিয়েও জাতীয় পার্টিকে ভেঙে দেয়। তারা কেউ কথা রাখেনি।

বিএনপি প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে এখন নিজেরাই ছিন্ন ভিন্ন বলে মন্তব্য করেন এরশাদ।

তিনি বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কথা দিয়েছিল জাপাকে ৪৮টি আসন দেবে। কিন্তু তারা নিজেরাই সেখান থেকে ১৭টি আসন নিয়ে নেয়। আমাদের সেই আসন দেয়া হলে বিএনপি-জামায়াত জোট দেশে তাণ্ডব করার সাহস পেত না।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, রাজনীতিতে সরলতার কোনো দাম নেই, কাউকে বিশ্বাস করতে নেই। এবার আমরা কমপক্ষে ১০০ আসনে জয়লাভ করবো। ৬০টি আসনে জিতলেও আওয়ামী লীগ-বিএনপিকে আমাদের কাছেই আসতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা দুর্বল নই, আগের চেয়ে অনেক শক্তিশালী। আমাদের উদ্দেশ্য জনগণের সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় যাওয়া।

সাবেক রাষ্ট্রপতি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসলে আবারও দেশে তাণ্ডব শুরু হবে। তাই বিষয়টি আওয়ামী লীগও ভাল করে জানে। তাই এবার তাদের স্পষ্ট করতে হবে তাদের সঙ্গে থাকলে জাপা কী পাবে। কারণ আমরা আর ঠকতে রাজি নই।

অনুষ্ঠানে আগামী সংসদ নির্বাচনের জন্য জাতীয় পার্টির গাইবান্ধার পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটির প্রার্থিতা ঘোষণা করেন পার্টির চেয়ারম্যান।