Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ১:৪৯ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ১৫ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

তোফায়েল আহমেদ
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, ফাইল ফটো

‘জাতির পিতার দ্বিতীয় স্বপ্নটি শেখ হাসিনা পূরণ করছেন’ – তোফায়েল

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার কাজে দৃপ্ত পদে এগিয়ে চলছেন। তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে দেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

আজ শনিবার দুপুরে শহরের সরকারি স্কুল খেলার মাঠে কমিউনিটি পুলিশিং ও জঙ্গি-সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। জেলা পুলিশ ও কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের এই সামাবেশের আয়োজন করে।

জেলা কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয় কমিটির আহবায়ক মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে পুলিশের মহা-পরিদর্শক একে এম শহিদুল হক, সংসদ সদস্য নুরন্নবী চৌধুরী শাওন, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট মমতাজ বেগম, বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি শেখ মো. মারুফ হাসান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, জাতির পিতার ২টি স্বপ্ন ছিলো- একটি দেশ স্বাধীন করা। অন্যটি সুজলা সুফলা শস্য শ্যমলা সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করা। একটি তিনি পূরণ করে গেছেন। অন্যটি তার রক্তের উত্তরাধিকার শেখ হাসিনা পূরণ করে চলছেন। দেশকে তিনি এগিয়ে নিয়ে চলছেন।

তিনি বলেন, আমরা প্রতিহিংশা ও প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। এসময় তিনি সকলকে কমিনিউটি পুলিশিং এর সদস্য হয়ে ঘরে ঘরে সন্ত্রাস ও জঙ্গি বিরোধী দূর্গ গোড়ে তোলার আহবান জানান।

ভোলার নদী ভাঙ্গন রোধে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করার কথা উল্লেখ করে তোফায়েল আহমেদ বলেন, বরিশাল-ভোলার সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য একটি ব্রীজ নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাছাই শুরু হয়েছে। সেতুটি নির্মাণ হলে মাত্র ৫ ঘন্টায় ঢাকার সাথে আসা-যাওয়া করা যাবে। এছাড়া এখানে শিল্পাঞ্চল গঠন করা হবে। এতে করে প্রচুর কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে ভোলায়।

আওয়ামী লীগের প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ আরো বলেন, যারা এক সময় বাংলাদেশকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেছিল। ঘুর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাসের দেশ ও দারিদ্রের মডেল বলেছিল, তারাই আজ বলছে বাংলাদেশ উন্নয়নের মডেল। বিশ্বয়কর উত্থান বাংলাদেশের।

একে এম শহিদুল হক বলেন, কমিউনিটি পুলিশিং একটি দর্শন। এর ফলে জনগণ ও পুলিশের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করা হয়। সমাজিক সমস্যার টেকসই সমাধানের জন্য কমিউনিটি পুলিশিং প্রয়োজন। তাই সমাজের ভালো লোকজন দিয়ে কমিটি গঠন করতে হবে।

এর আগে শহরে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালীটি বিভিন্ন সড়ক প্রদিক্ষণ করে সমাবেশ স্থলে মিলিত হয়। পরে জাতীয় পতাকা ও পায়রা উড়িয়ে সমাবেশের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি।