ব্রেকিং নিউজ

রাত ১১:৩৪ ঢাকা, শনিবার  ২২শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

জনসন ব্যবহারে ক্যান্সার, জনসন কর্তৃপক্ষকে ৭ কোটি ডলার জরিমানা

জনসন অ্যান্ড জনসনের পণ্য ব্যবহার করে ক্যান্সারে এক নারীর মৃত্যুর অভিযোগের বিচার শেষে ওই কোম্পানিকে ৭ দশমিক ২ কোটি ডলার জরিমানা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরির একটি আদালত। এই রায়ের পর জনসন অ্যান্ড জনসনের তৈরি বহুল ব্যবহৃত শিশুদের ট্যালকম পাউডার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে আলোচনার ঝড় উঠেছে বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বহুজাতিক এই কোম্পানির বেবি সোপ, লোশন ও পাউডারসহ বিভিন্ন পণ্য বাংলাদেশেও ব্যবহৃত হয়। ক্যান্সারের শিকার জ্যাকুলিন ফক্সের পরিবারের আইনজীবী ও আদালতের নথি উদ্ধৃত করে রয়টার্সের খবরে বলা হয়, সেইন্ট লুইস সার্কিট কোর্টের জুরিরা মঙ্গলবার ওই রায়ে প্রকৃত ক্ষতিপূরণ হিসেবে এক কোটি ডলার এবং শাস্তিমূলক ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৬ দশমিক ২ কোটি ডলার দিতে বলেছে জনসন অ্যান্ড জনসন কর্তৃপক্ষকে।
এর পর টুইটারে জনসন অ্যান্ড জনসনের পণের বিষয়ে নিজেদের উদ্বেগের কথা বলেছেন বহু ব্যবহারকারী। জেন নামের এক ব্যবহারকারী টুইটে বলেছেন,  তাহলে বেবি পাউডারের কারণেই ডিম্বাশয়ের ক্যান্সার হয়েছিল। এখন জনসন অ্যান্ড জনসনকে অবশ্যই ৭ দশমিক ২ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আইনজীবীদের নিরলস প্রচেষ্টার জন্য ধন্যবাদ। বিষয়টি ভয়ানকও।
আবার কেউ কেউ বলেছেন, তারা এই পণ্য আর ব্যবহার করবেন না। জনসন অ্যান্ড জনসনের মুখপাত্র ক্যারল গুডরিচ বলেন, কোম্পানি মনে করে কয়েক দশকের বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে ট্যালকম প্রসাধনীর নিরাপত্তা নিশ্চিত রয়েছে। ডে জেড নামের এক টুইটার ব্যবহারকারী বলেন, জনসনের পাউডার যদি ভয়ঙ্কর হয় তাহলে এটাকে কেন আপনার নিত্য ব্যবহার্য পণ্য হিসেবে রাখবেন?
কোম্পানির উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমি আমার ছেলের গায়ে তোমাদের বেবি পাউডার আর ব্যবহার করছি না। অবশ্য অনেকে বিষয়টিকে অন্যদিকেও নিয়ে যেতে চান। শিভাম এম নামে একজন বলেন, বছরে কয়েক পাউন্ড লিপস্টিক খাওয়া নারীরা ওই পণ্যের ব্র্যান্ডগুলোর বিরুদ্ধে কখন মামলা করবেন আমি তার অপেক্ষায় আছি।
অ্যালাবামার বার্মিংহামের বাসিন্দা জ্যাকুলিন ফক্স ডিম্বাশয়ের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে গত বছর অক্টোবরে ৬২ বছর বয়সে মারা যান। তিন বছর আগে ক্যান্সারের চিকিৎসা শুরুর আগে ৩৫ বছরের বেশি সময় ধরে তিনি জনসন অ্যান্ড জনসনের বেবি পাউডার ও শাওয়ার টু শাওয়া ব্যবহার করতেন বলে দাবি করেন ওই নারী। বুধবার এ এবিষয়ে জানতে চাইলে কোম্পানির এক মুখপাত্র তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি বলে জানিয়েছে রয়টার্স। রয়টার্স।