ব্রেকিং নিউজ

সকাল ১০:৩৭ ঢাকা, রবিবার  ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ডেভিড ক্যামেরন, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী।

জনগণের রায় মেনে নিন: ক্যামেরন

গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত ভোটে যুক্তরাজ্যের সাড়ে চার কোটি ভোটারের ৫২ শতাংশ ইউরোপের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোটের সঙ্গে চার দশকের বন্ধন ছেড়ার পক্ষে রায় দেয়।

কিন্তু যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ইইউ ছাড়ার বিপক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ। ফলে ইইউর সংবিধান অনুযায়ী, গণভোটে রায় হলেও সংশ্লিষ্ট দেশের পার্লামেন্টে তা অনুমোদিতে হয়ে আসার বাধ্যবাধকতা থাকায় এমপিরা এখনও তা আটকে দিতে পারেন।

এদিকে ইইউতে থাকার পক্ষে ক্যামেরন পার্লামেন্টে বলেন, “ফল নিয়ে কোনো সংশয় নেই। তবে এর ঝুঁকি নিয়ে আমি যা বলছিলাম, তা থেকে অবশ্যই আমি সরে আসছি না। এটা বড় কঠিন। আমাদের অর্থনীতিতে সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করতে শুরু করেছি। আমাদের সাংবিধানিক বিষয়গুলোর চ্যালেঞ্জও দেখতে শুরু করেছি।”

তবে সংসদীয় গণতন্ত্রের সূতিকাগার হিসেবে পরিচিত যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরন জনগণের রায়কে সম্মান দিতে সবার প্রতি অনুরোধ করেছেন। তিনি বলেন, “সকালে মন্ত্রিসভার বৈঠকে মতৈক্য হয়েছে যে গণভোটের রায় আমাদের অবশ্যই মেনে নিতে হবে এবং এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কাজও আমাদের শুরু করতে হবে।”
ক্যামেরন জানান, তিনি অক্টোবর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন। তার দল কনজারভেটিভ পার্টি নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করলে তিনি দায়িত্ব ছেড়ে দেবেন।

গণভোটে দ্বিধাবিভক্তি স্পষ্ট হওয়ার পর ইউরোপের অভিবাসীদের প্রতি বিদ্বেষমূলক আচরণ বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্যবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বানও জানান ক্যামেরন।

যুক্তরাজ্যের গণভোটের ফলাফলে চরম হতাশ হলেও ইইউর বাকি ২৭ সদস্য বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করতে লন্ডন সরকারকে তাগিদ দিয়ে আসছে।