ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৬:২৪ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ২০শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

জঙ্গি-বর্বরতার কাছে জাতি হার মানতে পারে না: ইনু

জঙ্গি-বর্বরতার কারণে জীবন ও উন্নয়নের চাকা বন্ধ হবার নয় উল্লেখ করে জঙ্গিদের পক্ষে যে কোনো ধরণের প্রকাশনা থেকে বিরত থাকার জন্য মুদ্রণশিল্প মালিকদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

আজ বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা ও নবনির্বাচিত পরিষদের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী শোকের মাস আগস্টে নিহত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ‘জঙ্গি-বর্বরতার কাছে জাতি হার মানতে পারে না, এবং আমরা স্থবির হলে তা হবে বর্বরতায় নিহত সকল প্রাণের প্রতি অসম্মান।’

মুদ্রণ শিল্প সমিতির বিদায়ী সভাপতি শহীদ সেরনিয়াবাতের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধ্যয়ন বিভাগের সভাপতি ড. সুধাংশু শেখর রায়।

গণতন্ত্র ও সভ্যতার বিকাশে মুদ্রণশিল্পের গুরুত্বকে অপরিমেয় বর্ণনা করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মত প্রকাশের অধিকার গণতন্ত্রে অপরিহার্য। আর মুদ্রণশিল্প চিন্তা ও মতামতকে জনগণের কাছে পৌঁছে দেয়। তাই মুদ্রণশিল্প একাধারে লেখক-কবি-গুনীজন ও জনগণের মাঝে সেতু, সভ্যতার ধারক এবং গণতন্ত্রের বাহন হিসেবে ভূমিকা রেখে চলেছে।’

‘মানুষের জীবনে এ অমূল্য ভূমিকার কারণে মুদ্রণশিল্প শুধু ব্যবসা নয়, এটি একটি কলা (আর্ট) ও সেবা এবং সেই একই কারণে, জঙ্গিবাদ মুদ্রণশিল্পের ঘোর শত্রু’, বলেন ইনু।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিলে মুদ্রণশিল্পের ওপরও ছোবল দেবে। কারণ মুদ্রণশিল্প মুক্তচিন্তা ও জ্ঞানের বাহন। আর সকল ধর্ম ও মানবতার শত্রু জঙ্গিরা কেবল তাদের মনগড়া মতবাদই সবার ওপর অন্যায়ভাবে চাপিয়ে দিতে চায়।’

হাসানুল হক ইনু এসময় প্রয়োজনীয় আইনী সংস্কারসহ মুদ্রণশিল্পের প্রতি সরকারের সহযোগিতা বৃদ্ধিও ওপর জোর দেন।

প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম তার বক্তব্যে মুদ্রণশিল্প মালিকদের সাথে তার পুরনো একাত্মতার কথা পূণর্ব্যক্ত করেন ও জঙ্গিবিরোধী লড়াইয়ে শামিল হতে সবার প্রতি আহ্বান জানান।

মুদ্রণ শিল্প সমিতির নূতন সভাপতি তোফায়েল খান ও সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলামসহ এফবিসিসিআই এর চেম্বার ও এসোসিয়েশনের পরিচালকবৃন্দও সভায় বক্তব্য রাখেন। মুদ্রণ শিল্পে বিশেষ অবদানের জন্য চারজনকে সভায় মরণোত্তর সম্মাননা দেয়া হয়।