ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৬:৪৯ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া
ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া

জঙ্গিবাদের নেটওয়ার্ক গুঁড়িয়ে দিয়েছি : ডিএমপি কমিশনার

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ-ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, আমরা জঙ্গিবাদের নেটওয়ার্ক ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছি। গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার চার্জশিট চলতি সপ্তাহে দেয়া হবে।

রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলায় নিহত দুই পুলিশ সদস্যের স্মরণে ‘দীপ্ত শপথ’ নামে একটি ভাস্কর্য উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা জানান।

পুলিশ কর্মকর্তা বনানী থানার তৎকালীন ওসি সালাউদ্দিন আহমেদ এবং ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার রবিউল ইসলাম স্মরণে গুলশানের ১১৫ নম্বর সড়কে এ ভাস্কর্যটি তৈরি করা হয়েছে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, আমরা হলি আর্টিজান মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছি। চলতি সপ্তাহে এই মামলার চার্জশিট দেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা জঙ্গিবাদের নেটওয়ার্ক ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছি। সারা দেশে ৭০টির মতো জঙ্গি অপারেশন পরিচালনা করেছি।

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, গুলশান হামলার ঘটনা ছিল গভীর ষড়যন্ত্র। ওই দিন আমাদের অনেক অফিসার জীবনবাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন।

বর্তমান সরকার মাদকের বিরুদ্ধে কঠোরব্যবস্থা নিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে আছি। কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোরব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ছাড়া যেসব আইনজীবী মাদকের জামিনে সহযোগিতা করছে তাদের তালিকাও করা হচ্ছে বলে জানান ডিএমপি কমিশনার।

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, জঙ্গি ততপরতা দমনে ভাড়িটিয়াদের পরিচয়পত্র সংগ্রহ করেছি। আপনার জানেন জঙ্গি তৎপরতা পুরোপুরি দমন করা সম্ভব নয়। তবে আমরা তাদের নেটওয়ার্ক ভেঙে দিয়েছি।

তিনি বলেন, ভাস্কর্যটি আমরা হলি আর্টিজান বেকারিরর সামনে করতে চাইলেও ব্যক্তি মালিকানার সম্পত্তি হওয়ায় সেটা সম্ভব হয়নি।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে দুই পুলিশসহ দেশি-বিদেশি ২২ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযানে ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ড’পাঁচ জঙ্গি নিহত হয়।

অভিযানে এক জাপানি ও দুই শ্রীলংকানসহ ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

ওই ঘটনায় ৪ জুলাই গুলশান থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ। এ মামলায় গ্রেফতার হয়ে এখন পর্যন্ত নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হাসনাত করিম, রাকিবুল হাসান রিগ্যান, রাজীব গান্ধী, হাতকাটা সোহেল মাহফুজ ও রাশেদ ইসলাম ওরফে আবু জাররা ওরফে র‌্যাশ কারাগারে আছেন।