ব্রেকিং নিউজ

রাত ১:৪৭ ঢাকা, শনিবার  ২২শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

‘জঙ্গিবাদকে উস্কে দিচ্ছে সরকার’

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশে ভিন্ন ধর্মালম্বি, মুক্ত চিন্তার মানুষ এবং বিদেশী নাগরিকদের একের পর এক হত্যা করা হচ্ছে। অথচ সরকার নিরাপত্তা দিতে পুরোপুরি ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। রিজভী আহমেদ বলেন, যখনই দেশে কোনো নাশকতা কিংবা জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটে তখনই প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের অন্য মন্ত্রীরা এ দায় বিএনপির উপর চাপাতে চায়। সরকার তার ব্যর্থতা ঢাকতে জঙ্গিবাদকে উস্কে দিচ্ছে।

এর ব্যর্থতার দায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তার সরকারের এই মূহুর্তে পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন রুহুল কবির রিজভী।

শুক্রবার দুপুরে কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তিনি।

তিনি বলেন, একের পর এক রক্ত ঝড়ার ঘটনা ঘটছে। সরকার নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। উগ্রবাদ দেশে এখন ডালপালা বিস্তার লাভ করেছে। দু-চারজন যুবক ধরা পড়লেও তাদের বন্দুক যুদ্ধের নামে হত্যা করা হচ্ছে। কারণ সরকার প্রকৃত সত্য উদঘাটন করতে চায় না।

সরকার জনগনকে সত্য জানাতে চায় না দাবি করে বিএনপির এ নেতা বলেন, কথিত বন্দুকযুদ্ধের ঘটনাগুলো জনগনের সন্দেহ বাড়িয়ে তুলছে।

তিনি বলেন, এ কারণে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া বলেছেন-‘জনগনের ঐক্যবদ্ধ শক্তি পারে এ অপশক্তিকে প্রতিহত করতে। আর এ জন্য প্রয়োজন জনগনের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত গনতান্ত্রিক সরকার।‘

রিজভী বলেন, উগ্রবাদিরা রাষ্ট্রীয় শক্তিকে চ্যালেঞ্জ করছে আর সরকার সুস্পষ্ট ভাবে প্রমানিত হয়েছে তারা ব্যর্থ। জনগনকে অন্ধকারে রেখে, সত্যকে লুকিয়ে কোন লাভ নেই। সরকারের উচিত দায়ভার মাথায় নিয়ে দ্রুততম সময়ে পদত্যাগ করা।

বর্তমান সরকার জঙ্গি দমন না করে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের উপর হামলা, মামলা ও হয়রানিতে ব্যস্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনী এখন সরকারের ক্যাডার বাহিনীতে পরিণত হয়েছে।

বিভেদ সৃষ্টি করে নয়,ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ না করলে-জঙ্গি দমন বা অশুভ শক্তির উত্থান দমন করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এ সময় জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক, সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান রানা, সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নুর ইসলাস নুরুসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।