ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৪:৫৭ ঢাকা, শুক্রবার  ১৯শে অক্টোবর ২০১৮ ইং

“জঙ্গিবর্জনই সমৃদ্ধির পথ”

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, জঙ্গিবাদ বর্জন করে অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র ও সামাজিক অর্থনীতির মাধ্যমে বাংলাদেশকে বাংলাদেশের পথে হেঁটে সমৃদ্ধি অর্জন করতে হবে।
তিনি বলেন, সামাজিক ও নারী-পুরুষ বৈষম্য এবং বিশ্বায়নে অসমতা দূর করতে সমাজতন্ত্রের বিকল্প নেই।
তথ্যমন্ত্রী আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এম-এল) এর উদ্যোগে চীন বিপ্লবের মহানায়ক কমরেড মাও সে তুং এর ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।
উন্নয়নশীল দেশকে উন্নত করতে সমাজতন্ত্রের পথ ছাড়া অন্যকোন পথ নেই উল্লেখ করে হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘এ কারণেই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানের চার মূলনীতির একটি ছিল সমাজতন্ত্র। ১৫ই আগস্টে বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যার পর সমাজতন্ত্রকে নির্বাসন দেয়া হয়েছিল। শেখ হাসিনার সরকার দেশকে বৈষম্যহীনভাবে এগিয়ে নিতে আবারও সমাজতন্ত্রকে সংবিধানের মূলনীতিতে পুণ:স্থাপিত করেছে।’
বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এম-এল) এর সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়–য়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে সভায় বক্তৃতা করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত গণচীনের রাষ্ট্রদূত মা মিংচিয়াং ।
কমরেড মাও সে তুং -এর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ সভাপতি ইনু বলেন, সমাজ উন্নয়নের ধারায় মানুষের মুক্তির জন্য পৃথিবীর রাজনীতি ও সমাজনীতিতে মাও সে তুং এখনও প্রাসংগিক। ঔপনিবেশিক, আধা-ঔপনিবেশিক, সামন্তবাদ, আধা-সামন্তবাদ, সামরিক ও সাম্প্রদায়িকতার বৈষম্য-জাল থেকে মুক্তির দিশারী হিসেবে মাও সে তুং কে বর্ণনা করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, সাম্রাজ্যবাদকে উড়িয়ে দিয়ে চীন তার নিজস্ব পথে সমৃদ্ধি অর্জন করেছে। বাংলাদেশকেও তার নিজের পথে সমৃদ্ধি অর্জন করতে হবে। সমাজতন্ত্র অনুসরণ অর্থ হুবহু নকল করা নয়, যার যার দেশে প্রযোজ্য কাঠামো অনুযায়ীই এর প্রয়োগ বাঞ্ছনীয়, বলেন হাসানুল হক ইনু।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন, গণতান্ত্রিককর্মী শিবিরের সভাপতি কমরেড নূরুল হক মেহেদী, সাম্যবাদী দলের পলিট ব্যুরো সদস্য লুৎফর রহমান, বাবুল বিশ্বাস, বীরেন সাহা প্রমূখ সম্মানিত অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।