ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৮:০৮ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ২০শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক বহিষ্কার

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ছাত্রী ‘ধর্ষণ’র ঘটনায় পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সৈয়দ মাহফুজ আল হাসানকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার প্রকৌশলী আহসান হাবীব স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। একই বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গত ১৯ জুন ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গঠিত তদন্ত কমিটিও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করছে।
শনিবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতরের সহকারী পরিচালক হায়াতুজ্জামান মুকুল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উপাচার্য মহোদয়ের নির্দেশক্রমে রেজিস্টার প্রকৌশলী আহসান হাবীব স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সহকারী অধ্যাপক সৈয়দ মাহফুজ আল হাসানকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সৈয়দ মাহফুজ আল হাসানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেছে একই বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্রী অদিতি বিশ্বাস মৌ।
গত ১৯ জুন কোতয়ালী থানায় দায়েরকৃত মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, পড়াশোনার সুবাদে শহরের পালবাড়ি এলাকায় বাসা ভাড়া করে থাকেন। বছর দুয়েক আগে থেকে শিক্ষক তার বাসায় আসা-যাওয়া করতেন। এর সূত্র ধরে তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করেন। সর্বশেষ ১৬ ফেব্রুয়ারি তাকে ধর্ষণ করেন। কিন্তু বিয়ের প্রলোভন দেখালেও শেষ পর্যন্ত শিক্ষক তাকে বিয়ে করতে রাজি হননি। তাই বাধ্য হয়ে তিনি আইনের আশ্রয় নিয়েছেন। এর আগে গত ১০ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন ওই শিক্ষার্থী। তার অভিযোগের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মাইক্রো বায়োলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ইকবাল কবির জাহিদকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। প্রায় চার মাসেও তদন্ত কমিটির রিপোর্ট দিতে পারেনি। এছাড়াও বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ যশোর শাখাতেও অভিযোগ দেয়া হয় ওই সময়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও মহিলা পরিষদে অভিযোগের পরেও কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় গত ১৯ জুন কোতয়ালী থানায় ওই ছাত্রী মামলা করেছেন। মামলার পর তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এরপর ২০ জুন যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।