ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৫:২৪ ঢাকা, সোমবার  ২৪শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

চালু করতে ব্যর্থ বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়া কলকারখানার জমি ফিরিয়ে নেয়া হবে : প্রধানমন্ত্রী

শীর্ষ মিডিয়া ১২ অক্টোবর ঃ     প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়া কল-কারখানার সম্পদ বিশেষ করে যেসব কল-কারখানার মালিকরা বেসরকারি করণের সময় সরকারের বেঁধে দেয়া নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে মিল-কারখানার কার্যক্রম চালু করতে ব্যর্থ হয়েছে সেসব কলকারখানার জমি ফিরিয়ে নেয়ার জন্য পদক্ষেপ গ্রহন করবে
তিনি আজ সচিবালয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, কিছু বিবেকহীন ব্যক্তির কারণে প্রাইভেটাইজেশনের সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করার পরও এইসব মিল-কারখানাগুলোকে চালু করতে পারেনি। পরে ওইসব ব্যক্তি সরকারি সম্পত্তিকে অর্থ উপার্জনের কাজে ব্যবহার করে।
তিনি আরো বলেন, তারা শুধু মূল্যবান যন্ত্রপাতি আত্মসাৎ করেই ক্ষান্ত হয়নি, বরং তারা ভূসম্পত্তিও বিক্রি করে দেয়। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, এইসব সম্পত্তি অবশ্যই উদ্ধার করা হবে এবং ক্ষুদ্র, মাঝারী শিল্প স্থাপনে আগ্রহীদের মধ্যে বরাদ্দ দেয়া হবে।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতে কোন সরকারি মিল-কারখানা বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়া হবে না। তিনি মন্ত্রণালয়কে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার মাধ্যমে যেসব শিল্পের মালিক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মিল-কারখানা চালু করতে ব্যর্থ হয়েছে তা উদ্ধারের নির্দেশ দেন।
প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ক্রমে সকল মন্ত্রণালয় ধারাবাহিক পরিদর্শনের অংশ হিসেবে আজ বস্ত্র মন্ত্রণালয়ে আসেন। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে সূচনা বক্তব্য দেন এবং মন্ত্রণালয়ের ভবিষ্যত কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।
প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব ফনী ভূষণ চৌধুরী, বিভিন্ন বিভাগের প্রধানগণ, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
শেখ হাসিনা অধিক সম্ভাবনাময় বস্ত্র ও পাট খাতের ব্যাপারে উচ্চ আকাঙ্খা প্রকাশ করে বলেন, এই খাত দেশের অর্থনীতি উন্নয়নের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অবদান রাখতে পারে। আমাদের পাট ও পাটজাত দ্রব্য বিদেশে রফতানি করার পরিকল্পনা গ্রহন করতে হবে।
এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মসলিন সূতা তৈরির ব্যাপারে প্রয়োজনীয় গবেষণার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। হাতে তৈরি এই সুক্ষ সূতায় তৈরি মসলিন কাপড় সপ্তদশ ও অষ্টদশ শতাব্দীতে ইউরোপসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে খ্যাতি অর্জন করে।
শেখ হাসিনা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখার লক্ষ্যে সর্বোচ্চ ত্যাগ, সততা ও সাহসের সঙ্গে কাজ করার জন্য এই মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।