ব্রেকিং নিউজ

সন্ধ্যা ৭:৫৫ ঢাকা, শুক্রবার  ২১শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো: 'বিগত ১৭ ফেব্রুয়ারি সকালে নিখোঁজের পাঁচদিন পর বালুর নিচ থেকে চার শিশুর লাশ উদ্ধার করেছিল পুলিশ'

চার শিশুকে বালু চাপা দিয়ে হত্যার বিচার ট্রাইব্যুনালে করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

হবিগঞ্জ  জেলার বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামের চার শিশু হত্যায় জড়িতদের বিচার বিশেষ ট্রাইব্যুনালে করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ শুক্রবার সকালে হবিগঞ্জে বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামে নিহতদের বাড়িতে পৌছে প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনার কথা জানান, নারী ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি। এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে নিহত প্রত্যেক শিশুর পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান দেন।
এ সময়ে মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, শিশু হত্যার মত জঘণ্য অপরাধের সাথে জড়িতদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে। শিশু হত্যার পেছনে কি কারণ রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হবে। হত্যাকারী যেই হোক, যত শক্তিশালীই হোক তাদেরকে আইনের আওতায় এনে বিচারের সম্মুখীন করা হবে। ৪ শিশু হত্যাকান্ডের ঘটনা তার মন্ত্রনালয় থেকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে আইন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের সাথে।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা শিশু হত্যার বিচারের বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক। রাজন হত্যার মত এই হত্যাকান্ডেরও দ্রুত বিচার হবে।
পরে প্রতিমন্ত্রী নিহত শিশুদের পিতা মাতাকে সান্তনা দেন এবং এমন লোমহর্ষক ঘটনায় জড়িতদের কঠোর শাস্তি বিধানের আশ্বাস দেন।
এ সময় সংসদ সদস্য এমএ মুনিম চৌধুরী বাবু, সংসদ সদস্য আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী, জেলা প্রশাসক সাবিনা আলম, পুলিশ সুপার জয়দেব ভদ্র, বাহুবল উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হাই প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারী বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামের মোঃ ওয়াহিদ মিয়ার পুত্র জাকারিয়া আহমেদ শুভ (৮), আব্দুল আজিজের পুত্র তাজেল মিয়া (১০) ও আবদাল মিয়ার পুত্র মনির মিয়া (৭) এবং আব্দুল কাদিরের পুত্র ইসমাঈল হোসেন (১০) নিখোঁজ হয়।
বুধবার সকালে সুন্দ্রাটিকি গ্রামের দিন মজুর কাজল মিয়া প্রতিদিনের ন্যায় বাড়ি থেকে বেড় হয়ে করাঙ্গী নদীর পাশে মাটি কাটতে গিয়ে বালু চাপা অবস্থায় ৪ মিশুর লাশ দেখতে পান। পরে লাশগুলো উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত শেষে ওই দিন রাতে দাফন করা হয়।