ব্রেকিং নিউজ

সকাল ১০:১৬ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ২০শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

চামড়া: বর্গফুট ৫০ ও ২০ টাকা

কুরবানীর পশুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করেছেন ব্যবসায়ীরা।

শুক্রবার সকালে ঢাকার ধানমন্ডির এক রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন দাম ঘোষণা করেন বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএলএলএফইএ) সভাপতি মহিউদ্দিন মাহমুদ মাহিন।

ঘোষণা অনুযায়ী, রাজধানী ঢাকার ভেতরে এবার লবনযুক্ত প্রতি বর্গফুট চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ টাকা। আর ঢাকার বাইরের এই দাম ৪০ টাকা।

এছাড়া সারা দেশে খাসির লবণযুক্ত চামড়ার মূল্য ২০ ও বকরির ১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহীন আহমেদ বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে চামড়ার দরপতন হয়েছে। এছাড়া গতবারের কেনা চামড়ার ৩০ শতাংশ এখনও মজুদ রয়ে গেছে। সব কিছু মিলিয়ে এবারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

এরআগে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার মূল্য ৪০-৪৫ টাকা নির্ধারণ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে প্রস্তাব দেয়া হয়।

তবে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তা প্রত্যাখ্যান করে শুক্রবারের মধ্যে পুনরায় নির্ধারণের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছিল।

গত বছর ট্যানারি ব্যবসায়ীরা ঢাকায় প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দর নির্ধারণ করেছিলেন ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। আর ঢাকার বাইরে এর দর ছিল ৪০ থেকে ৪৫ টাকা।

প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত মহিষের চামড়ার দর ছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। খাসির চামড়া ২০ থেকে ২২ টাকা। আর বকরি ও ভেড়ার চামড়ার দর ছিল ১৫ থেকে ১৭ টাকা।

২০১৪ সালে ট্যানারি ব্যবসায়ীরা ঢাকায় প্রতিফুট লবণযুক্ত গরুর চামড়া কেনেন ৭০ থেকে ৭৫ টাকায়। ঢাকার বাইরে এ দর ছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত মহিষের চামড়ার দর ছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, খাসির চামড়া ৩০ থেকে ৩৫ টাকা ও বকরির চামড়ার দর ছিল ২৫ থেকে ৩০ টাকা।

২০১৩ সালে দর ছিল আরো বেশি। তখন ঢাকায় প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার দর ছিল ৮৫ থেকে ৯০ টাকা। ঢাকার বাইরে এর দর ছিল ৭৫ থেকে ৮০ টাকা।