ব্রেকিং নিউজ

রাত ১১:১৬ ঢাকা, শনিবার  ২২শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ফাইল ফটো

‘চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর যৌক্তিকতা নেই’- প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর কোন যৌক্তিকতা নেই।

তিনি বলেন, ‘৭৫ পরবর্তী সময়ে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ছিল ২৫ বছর, এরপর ২৬ বছর করা হয়। সেখান থেকে ৪ বছর বাড়িয়ে ৩০ বছর করা হয়েছে। ৩০ বছর করার পরেও যদি কেউ চাকরি না পায় তাহলে এটি দুঃখজনক। এখন সেশন জট নেই, ২২-২৩ বছরের মধ্যে মাস্টার্স শেষ হয়ে যায়।’

প্রধানমন্ত্রী আজ তাঁর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মো. রুস্তম আলী ফরাজীর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

pm449

তিনি বলেন, ’৭৫ পরবর্তী সময়ে লেখাপড়া প্রায় বন্ধই হয়ে গিয়েছিল। বছরের পর বছর সেশন জট থাকতো, সময় মতো ছাত্র-ছাত্রীরা পরীক্ষা দিতে পারতো না। চাকরির বয়স পার হয়ে যেতো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেহেতু এখন সেশন জট নেই। চাকুরিতে প্রবেশের বয়সসীমা চার বছর বাড়ানো হয়েছে আর কত বাড়াতে হবে? ২২/২৩ বছরে যে মেধা ও কর্মক্ষমতা থাকে তা আস্তে আস্তে কমতে থাকে। এছাড়া যারা পারে তারা সব সময়ই পারে। যারা পারে না তারা কোন সময়ই পারে না।

জাতীয় পার্টির মো. নূরুল ইসলাম ওমরের অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালের জুন থেকে ২০১৬ পর্যন্ত বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং অধীন দপ্তরসমূহে ৫ লাখ ৫০ হাজার ৬৯০টি পদ সৃষ্টি করে এসব পদে জনবল নিয়োগ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ২০০৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ২৮ থেকে ৩৩তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাডারে ১৭ হাজার ৮৬০ জন কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। ৩৪তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে সরকারি কর্মকমিশন সচিবালয় ২ হাজার ১৭৫ জন কর্মকর্তা নিয়োগের সুপারিশ করেছে। এদের মধ্যে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৩৮ জনকে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ৩৫, ৩৬ ও ৩৭তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে ৫ লাখ ৯০৭টি পদে নিয়োগের জন্য পরীক্ষার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার সরকারি আধা সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারিদের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বহুবিধ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এরমধ্যে মুক্তিযোদ্ধা গণকর্মচারিদের অবসরের বয়স ৫৯ থেকে বাড়িয়ে ৬০ বছর করা হয়েছে। সরকারি গণকর্মচারিদের অবসরের বয়স ৫৭ বছর থেকে ৫৯ বছর করা হয়েছে।