Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ২:২৯ ঢাকা, বুধবার  ১৪ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

‘চলছে নতুন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি স্থানান্তর’

নতুন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি স্থানান্তরের কাজ চলছে পুরোদমে। শুক্রবার ভোর থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রম চলবে শনিবার পর্যন্ত।

এদিকে বন্দি স্থানান্তরের সময় নিরাপত্তার খাতিরে মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার দিয়ে জনসাধারণের চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

কারা সূত্র জানা গেছে, শুক্রবার ভোর থেকে শুরু হওয়া এই স্থানান্তর কার্যক্রমে শুক্রবার সকাল ১২টা পর্যন্ত ৮টি বহরে প্রায় ৩ হাজার বন্দিকে কেরানীগঞ্জে স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রতি বহরে প্রায় ৩০০-৩৫০ জন বন্দিকে স্থানান্তর করা হচ্ছে।

pm197বন্দি স্থানান্তর বিষয়ে এক আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন বলেন, স্থানান্তর প্রক্রিয়া যে গতিতে চলছে, তা অব্যাহত থাকলে আজকের মধ্যেই সব বন্দি স্থানান্তর করা সম্ভব হবে।

এদিকে বন্দি স্থানান্তর নিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ডিসি) শেখ মারুফ হাসান জানান, মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার বন্ধ থাকার সময়টায় সাধারণ লোকজন নিচ দিয়ে চলাচল করতে পারবেন।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বন্দি স্থানান্তরে নিরাপত্তার বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো হুমকি নেই। তবে আমরা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।

শেখ মারুফ হাসান বলেন, যে রুট দিয়ে বন্দিদের নেয়া হবে, সেখানে ভোর ৪টা থেকে আমরা দায়িত্ব নিয়েছি। সূর্যাস্ত পর্যন্ত বন্দি স্থানান্তরের কাজ চলবে। বাকিদের শনিবার নেয়ার নির্দেশনা রয়েছে।

তিনি আরও জানান, ফায়ার সার্ভিস, র‌্যাব, পুলিশ, এপিবিএন ও অন্যান্য আইনশৃংখলা বাহিনীর কড়া পাহারায় বন্দিদের স্থানান্তর করা হচ্ছে।

কারা সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দিন ২৫ থেকে ৩০টি প্রিজন ভ্যানে ৬ থেকে ৭ হাজার বন্দি স্থানান্তর করা হবে। শনিবার বাকি বন্দিদের নেয়া হবে।

কেরানীগঞ্জের কারাগারটি পুরুষ কারাগার হওয়ায় ইতিমধ্যেই প্রায় সব নারী ও শিশু বন্দিকে কাশিমপুরে স্থানান্তর করা হয়েছে।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুরে নবনির্মিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার (পুরুষ-১) গত ১০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেন।

কারাগারটি এশিয়ার সর্বাধুনিক ও বৃহত্তম মডেল কারাগার। নতুন এ কারাগারটির নাম দেয়া হয়েছে ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার, কেরানীগঞ্জ’। এ কারাগারের ধারণক্ষমতা ৪ হাজার ৫৯০ জন বন্দি।

উদ্বোধনের পরপরই নাজিমউদ্দিন সড়কে অবস্থিত কারাগার থেকে বন্দি ও মালামাল সরিয়ে নেয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়। পুরনো কম্বল, অফিসিয়াল কাগজপত্র, উৎপাদন বিভাগের যন্ত্রপাতি, পোশাক তৈরির তাঁত, থালাবাটি তৈরির মেশিন প্রভৃতি কেরানীগঞ্জে নেয়া হয়েছে।