ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ১২:২০ ঢাকা, বুধবার  ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

‘গ্রেনেড হামলা মামলায় তারেককে জড়ানো রাজনৈতিক’

তারেক রহমানকে রাজনৈতিক উদ্দেশে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় জড়ানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার দলের চেয়ারারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে নিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা জানানো শেষে তিনি এ দাবি করেন।

এসময় জিয়ার মাজারে পুস্পমাল্য অর্পণ করে তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

২১ আগস্টের ঘটনাবলির সঙ্গে বিএনপি জড়িত- প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘২১ আগস্টের যে হত্যাকাণ্ডের মামলা, সেই মামলার প্রথম তিনটি চার্জশিটে তারেক রহমানের নাম দেয়া হয়নি। এই সরকার ক্ষমতায় আসার পরে রাজনৈতিক উদ্দেশে তারেক রহমানের নাম যুক্ত করেছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এর নিন্দা জানাই। আমরা চাই, এই মামলায় সত্যিকার অর্থে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক।’

রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের বিষয়ে দলের অবস্থান জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বার্থ ক্ষুন্ন করে, সুন্দরবনকে বিনষ্ট করে এবং পরিবেশকে দূষিত করে, রামপালে প্রস্তাবিত বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মানের যে কথা চলছে, আমরা এর বিরোধিতা করি।

তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি, বিদ্যুৎ আমাদের দরকার। তবে সেটা অবশ্যই সুন্দরবনে বাদ দিয়ে অন্য কোথাও করতে হবে, সুন্দরবনকে রক্ষা করতে হবে।’

নতুন কমিটির মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে মির্জা ফখরুল বলেন, দলের প্রতিষ্ঠাতার মাজার থেকে নতুন কমিটি শপথ নিয়েছে যে, গণতন্ত্র পূনরুদ্ধারে তারা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

এ সময় নবগঠিত কমিটির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, তরিকুল ইসলাম, আসম হান্নান শাহ, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান ও আমীর খসুর মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, সেলিমা রহমান, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, রুহুল আলম চৌধুরী, ইনাম আহমেদ চৌধুরী, ব্যারিস্টার আমিনুল হক, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, আব্দুল মান্নান, ডা. এ জেডএম জাহিদ হোসেন, শামসুজ্জামান দুদু, আহমেদ আজম খান, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন ও নিতাই রায় চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা লুৎফুর রহমান খান আজাদ, আমানউল্লাহ আমান, আ ন হ আখতার হোসেইন, জয়নুল আবদিন ফারুক, ব্যারিস্টার হায়দার আলী, অধ্যাপিকা তাজমেরী এস এ ইসলাম, কাজী আসাদ, হাবিবুর রহমান হাবিব, নাজমুল হক নান্নু, আফরোজা খান রীতা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন, মজিবুর রহমান সারোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও খায়রুল কবীর খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স, বিলকিস জাহান শিরিন, শ্যামা ওবায়েদ ও মাহবুবুর রহমান শামীম, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরৗ এ্যানী, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নূরী আরা সাফা, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, সহসাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল আলম, আবদুল আউয়াল খান, সহদফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, বেলাল আহমেদ, সহ যুব বিষয়ক সম্পাদক মীর নেওয়াজ আলী নেয়াজ, সহ তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক  কাদের গনি চৌধুরী, সহ প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান, সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, সহ প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এসএম গালিব, নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন, ওবায়দুর রহমান চন্দন, তাবিথ আউয়াল, অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, আব্দুল কাদের ভূইয়া জুয়েল, রাজীব আহসান, আকরামুল হাসান, মামুনুর রশিদ মামুন, আবু নাসের মুহাম্মাদ রহমাতুল্লাহ, নিপুন রায় চৌধুরী, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নিরব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ১৯ মার্চ ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন প্রাঙ্গনে দলের ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠানের সাড়ে চার মাস পর গত ৬ আগস্ট ১৯ সদস্যের স্থায়ী কমিটির ১৭ জনের নাম ঘোষণা করা হয়। এছাড়া ৭৩ সদস্যের উপদষ্টো কাউন্সিল ও ৫০২ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ জাতীয় নির্বাহী কমিটির নাম ঘোষণা হয়।