ব্রেকিং নিউজ

রাত ৮:৩৯ ঢাকা, শুক্রবার  ২১শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

“গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়লো”

গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম  বাড়ছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এর চেয়ারম্যান এ আর খান বৃহস্পতিবার বিকালে সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে মূল্য বৃদ্ধির ঘোষণা দেন। এতে গ্যাসের দাম ২৬ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং বিদ্যুতের দাম ২ দশমিক ৯৩ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বিইআরসির চেয়ারম্যান জানান, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।

বিইআরসির চেয়ারম্যান জানান, গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের ক্ষেত্রে আবাসিক গ্রাহকদের বর্তমান এক চুলার ৪শ’ টাকার স্থলে ৬০০ টাকা এবং দুই চুলার জন্য ৪৫০ টাকার স্থলে ৬৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া মিটার ভিত্তিক গ্যাসের ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিট ৫ টাকার স্থলে ৭টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ক্যাপটিভ পা্ওয়ারের ক্ষেত্রে দাম দ্বিগুণ করে ৪ টাকা ১৮ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮ টাকা ৩৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া শিল্পে ইউনিট প্রতি গ্যাসের দাম ৬দশমিক ৭৪ টাকা এবং বাণিজ্যে ১১দশমিক ৩৬ টাকা নির্ধারন করা হয়েছে। একই সাথে সিএনজি গ্যাসের দাম প্রতি ইউনিট ৩০ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, গ্যাস আমাদের মূল্যবান সম্পদ। সর্বশেষ ২০০৯ সালে গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়। ছয় বছর পর গ্যাসের দাম বাড়ানো হলো।
তিনি জানান, সার কারখানা ছাড়া সব খাতেই বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। তবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও সেচ কাজে ব্যবহৃত বিদ্যুতের দাম বাড়বে না।

তিনি বলেন, শহরের গ্রহকদের বিদ্যুতের দাম বাড়লেও কৃষি, সার ও গ্রামের প্রান্তিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে না। গ্রামাঞ্চলে আরইবি গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ৬০০ ইউনিট পর্যন্ত দাম বাড়বে না। এর বেশি যারা বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন, শুধু তাদের দাম বাড়ানো হবে।

বিইআরসির চেয়ারম্যান বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আপাতত কমলেও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য বিদ্যমান বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যয় পর্যালোচনা করে দাম বাড়ানো হয়েছে। তিনি বলেন, মানুষের আয় বেড়েছে। গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধিতে কোন সমস্যা হবে না।