আবারও বাড়নো হচ্ছে গ্যাসের দাম। এক চুলায় ১ হাজার ও ডাবল চুলায় ১২শ করার প্রস্তাব এসেছে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি)। যানবাহনে ব্যবহৃত সিএনজির দামও ৬৬ শতাংশ করার প্রস্তাব এসেছে।

তবে, এখনই বাড়ছে না দাম। বিইআরসির অভ্যন্তরীণ তদন্ত দল প্রস্তাবগুলো পরীক্ষা করে দেখছে। মাসখানেক পর এগুলো নিয়ে গণশুনানি করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিইআরসির চেয়ারম্যান এ আর খান।

জানা গেছে, গ্যাস বিতরণকারী কয়েকটি কোম্পানি গৃহস্থালি ব্যবহারের ক্ষেত্রে দুই চুলায় মাসিক ১২ শ’ ও এক চুলায় ১হাজার টাকা নির্ধারণের আবেদন করেছে। এছাড়া যানবাহনে ব্যবহৃত সিএনজির দাম ৬৬ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

২০০৯ সালে জানুয়ারিতে সব গ্রাহকশ্রেণির গ্যাসের দাম সর্বশেষ বাড়ানো হয়। তারপর গত বছরের সেপ্টেম্বরে কোনো কোনো ক্ষেত্রে গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছিল। তখন দুই চুলার বিল ৪৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬৫০ টাকা এবং এক চুলার বিল ৪০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০০ টাকা করা হয়েছিল।

যানবাহনে ব্যবহৃত গ্যাস বর্তমানে প্রতি ঘনমিটার ৩৫টাকা, ৬৬ শতাংশ দাম বাড়ালে সেটা হবে প্রায় ৫৮ টাকা।

গ্যাসের দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে খোড়া যুক্তি নিয়ে এগুচ্ছে জ্বালানি মন্ত্রণালয়।

জানা গেছে,এলপি গ্যাস ও পাইপ লাইন থেকে ব্যবহারকারিদের মধ্যে বৈষম্য কমানোর জন্য তারা এই দাম বাড়াচ্ছে।

তাদের যুক্তি,দেশের অধিকাংশ মানুষ পাইপলাইনের গ্যাস পায় না। তারা বিকল্প হিসেবে এলপি গ্যাস ব্যবহার করে,যার দাম অনেক বেশি। এই দুই শ্রেণির মধ্যে বৈষম্য দূর করতে সরকার এ উদ্যোগ নিচ্ছে।

বাসাবাড়ির গ্যাসের অতিরিক্ত মূল্য এলপি গ্যাস ব্যবহারকারীদের ভর্তুকি হিসেবে দেয়ার কথাও ভাবছেন তারা।

একই সঙ্গে যানবাহনে ব্যবহৃত পেট্টল, অকটেনের দামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখার জন্য সিএনজির দাম বাড়ানো হচ্ছে। দেশের গ্যাসের ওপর থেকে বাড়তি চাহিদার চাপ কমাতেও এটা করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

সর্বশেষ সংশোধিত: , মাধ্যম: