ব্রেকিং নিউজ

রাত ২:২৮ ঢাকা, রবিবার  ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

গোলাম সারওয়ারের প্রতি শ্রদ্ধা
গোলাম সারওয়ারের প্রতি শ্রদ্ধা

গোলাম সারওয়ারের প্রতি সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা

একুশে পদকপ্রাপ্ত দেশবরেণ্য সাংবাদিক ও সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ারের মরদেহে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সর্বস্তরের মানুষ।

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের ব্যবস্থাপনায় সাংবাদিকতার বাতিঘর গোলাম সারওয়ারের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।

সকাল পৌনে ১১টায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সে করে তার মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেয়া হয়। সেখানে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, তথ্য মন্ত্রণালয়, খাদ্যমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, র‌্যাব মহাপরিচালক বেনজির আহমেদ, বেসরকারি সংগঠন ‘নিজেরা করি’র খুশী কবিরসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ারের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

এর আগে আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে গোলাম সারওয়ারকে শেষবারের মতো তেজগাঁওয়ে তার প্রিয় কর্মস্থল সমকাল কার্যালয়ে নেয়া হয়। সেখানে সমকাল পরিবারের সদস্যরা প্রিয় অভিভাবককে শেষ শ্রদ্ধা জানান। সকাল সোয়া ৯টার দিকে সমকাল কার্যালয়-সংলগ্ন বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের ওসমানী হল মাঠে গোলাম সারওয়ারের তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

শহীদ মিনার থেকে গোলাম সারওয়ারের মরদেহ নেয়া হয় তার পাঁচ দশকের আড্ডাস্থল জাতীয় প্রেস ক্লাবে। সেখানে সহকর্মীরা তাকে শেষ বিদায় জানাবেন। রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মান জানানো হবে একাত্তরের রণাঙ্গনের এই মুক্তিযোদ্ধাকে। জোহরের নামাজের পর তার চতুর্থ জানাজা অনুষ্ঠিত হবে প্রেস ক্লাব চত্বরে।

সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ২৫ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টা ৫০ মিনিটে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে সিঙ্গাপুর থেকে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছে প্রবীন এই সাংবাদিকের লাশ।

গোলাম সারওয়ারের মরদেহ বুধবার তার জন্মস্থান সন্ধ্যা নদী তীরের গ্রাম বরিশালের বানারীপাড়ায় নেয়া হয়। বানারীপাড়া সরকারি মডেল ইনস্টিটিউশন মাঠে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। একাত্তরের রণাঙ্গনের যোদ্ধা গোলাম সারওয়ার মুক্তিযুদ্ধের পর কয়েক মাস এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। জানাজা শেষে তাকে আবারও ঢাকায় আনা হয়। বুধবার বিকেলে গোলাম সারওয়ারের দীর্ঘদিনের আবাসস্থলের পার্শ্ববর্তী উত্তরা চার নম্বর সেক্টর জামে মসজিদে তার দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

আসরের নামাজের পর মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে শেষ শয্যায় শায়িত হবেন তিনি।