ব্রেকিং নিউজ

সন্ধ্যা ৭:৫৫ ঢাকা, রবিবার  ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

গুলিতে মসজিদের ইমামসহ দুইজন বাংলাদেশী নিউইর্য়কে নিহত

নিউইয়র্কের কুইন্স শহরে শনিবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে (গ্রিনিচ মান সময় ১৭ঃ৫০) বন্দুক হামলায় বাংলাদেশী ইমাম ও তার সহকারী নিহত হয়েছে।

পুলিশের এক মুখপাত্র জানিয়েছে, রাস্তা দিয়ে পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পেছন থেকে এক হামলাকারী তাদের মাথায় গুলি করে।

ইমাম মাওলানা আকঞ্জি (৫৫) দুই বছর আগে বাংলাদেশ থেকে কুইন্সে আসেন।

পুলিশ জানিয়েছে, লোকগুলোকে ধর্মীয় কারণে হত্যা করার কোন ইঙ্গিত এখনো পাওয়া যায়নি।

ওজোন পার্ক এলাকায় একজন লোককে বন্দুক হাতে ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে দেখা গেছে। তবে এই ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।

ইমাম আকঞ্জি ও তার সহকারী তারা উদ্দিন (৬৪)কে ফুরকান জামে মসজিদের কাছে গুলি করা হয়।

ইমাম আকঞ্জির নিকটাত্মীয় রামি মজিদ বলেন, ‘তিনি একটি মাছিকেও কখনো আঘাত করেননি।’

ইমাম আকঞ্জির বন্ধুরা গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, ইমাম নামাজের পর মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরপরই তাকে গুলি করা হয়।

ওজন পার্কে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশী বাস করেন। তারা এই মসজিদে নামাজ পড়ে।

ঘটনাস্থলে আশপাশের বিপুল সংখ্যক বাসিন্দা জড়ো হয়। তারা এই হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ জানায়।
এ সময় তারা ‘আমরা বিচার চাই’ বলে স্লোগান দেয়।

বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ গ্রহণকারীদের মধ্যে কয়েকজন বলে, হত্যাকা-টি ঘৃণ্যমূলক অপরাধ।

যদিও পুলিশ জানিয়েছে, তারা এখনো এই হত্যাকা-ের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চালাচ্ছে।

মসজিদের মুসুল্লি মিলাত উদ্দিন বলেন, কর্তৃপক্ষের উচিত এই ঘটনাকে ঘৃণামূলক অপরাধ হিসেবে দেখা।

তিনি বলেন, ‘আমরা এই মুহূর্তে সত্যিকার অর্থেই নিজেদের অ-নিরাপদ ও অরক্ষিত মনে করছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘ঘটনাটি বাস্তবিকই আমাদের ও আমাদের ভবিষ্যতকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। এই ঘটনা আমাদের স্বাভাবিক চলাচলকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। আমরা এর বিচার চাই।’

নিউইয়র্কের মেয়র বিল ডি ব্লাসিও’র স্টাফ সদস্য সারাহ্ সাঈদ বলেন, ‘আমি তাদের ভয় ও শঙ্কাকে বুঝতে পারছি। কারণ আমি নিজেই এটা অনুভব করছি। আমি তাদের ক্ষোভকেও অনুভব করছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘তবে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাটির সুষ্ঠু ও বিস্তারিত তদন্ত।’