ব্রেকিং নিউজ

সন্ধ্যা ৬:৪০ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ১৬ই আগস্ট ২০১৮ ইং

গুলশান হামলা
২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোঁরায় ৫ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী আচমকা হামলা চালিয়ে ২২ জনকে হত্যা করে। এদের মধ্যে ১৭ জনই ছিলেন বিদেশী নাগরিক।

‘গুলশানে সন্ত্রাসী হামলার মামলায় চার্জশিট দাখিল’

গুলশানের হলি আর্টিজান সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) আদালতে দাখিল করা হয়েছে।
এই মামলায় আট জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয় বলে জানান কাউন্টার টেররিজম এন্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) প্রধান মনিরুল ইসলাম।

তিনি আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টুরোডে ডিএমপি’র মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। ডিএমপি’র মিডিয়া ও পাবলিক রিলেসন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদুর রহমান ও এডিসি মো. ওবায়দুর রহমান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

মনিরুল ইসলাম জানান, আমরা তদন্তে ২১ জনের জড়িত থাকার প্রমান পেয়েছি। ১৩জন বিভিন্ন অভিযানে নিহত হয়েছে। নিহতদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বাকি আটজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এরমধ্যে দু’জন এখনও পলাতক রয়েছে। ওই ঘটনায় ৭৫টি আলামত পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃত নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হাসনাত করিমের সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

মনিরুল ইসলাম বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করে সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্ট ও দেশী-বিদেশী বিনিয়োগের পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্যই গুলশানের হোলি আর্টিজানে এই জঙ্গি হামলা চালানো হয়।

তিনি বলেন, এই মামলায় ২১১ জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে। এরমধ্যে প্রত্যক্ষদর্শী, ফরেনসিক টেস্ট ও এই মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরাও রয়েছে।

২০১৬ সালের ১ জুলাই রাত পৌনে নয়টার দিকে রাজধানীর গুলশান-২ এর ৭৯ নম্বর সড়কের ৫ নম্বর বাড়িতে অবস্থিত হোলি আর্টিজান রেস্তোরায় জঙ্গিরা অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় তারা সেখানে ১৭ জন বিদেশী নাগরিকসহ ২০ জনকে হত্যা করে। পরদিন শনিবার সকালে রেস্তোরায় জিম্মিদের উদ্ধারে কমান্ডো অভিযান শুরু করে যৌথ বাহিনী। এ ছাড়া সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোলাগুলিতে ডিবির সহকারী কমিশনার (এসি) রবিউল ইসলাম এবং বনানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সালাউদ্দিন নিহত হন।