ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৬:৫৬ ঢাকা, শনিবার  ২২শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

‘গুপ্তহত্যায় স্বাধীনতা বিরোধীরা’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, গণমানুষের প্রতিরোধের মুখে কোণঠাসা হয়ে স্বাধীনতা বিরোধী চক্র দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুপ্তহত্যার পথ বেছে নিয়েছে।
মন্ত্রী আজ বিকেলে আইডিইবি ভবনে বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা প্রকৌশলী পরিষদ আয়োজিত ‘সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও স্বাধীনতা বিরোধীদের প্রতিহত করতে গণসচেতনতা সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার এ ধরনের গুপ্তহত্যা ও নৈরাজ্য প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। গুম, খুনের সাথে যারাই জড়িত থাকুক না কেন, কাউকে একবিন্দু ছাড় দেয়া হবে না। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।
দেশে কোন জঙ্গি বা আইএসএস নেই উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গণমানুষের সংঘবদ্ধ প্রতিরোধের মাধ্যমে সরকার এ ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম প্রতিরোধ করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ জন্য সব শ্রেণী পেশার মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।
পরিষদের সভাপতি এ কে এম আব্দুল মোতালেবের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রশিদ।
সভায় একাত্তর টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল বাবু, আইডিইবি’র সভাপতি এ কে এম এ হামিদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুর রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
মূল প্রবন্ধে মেজর জেনারেল আব্দুর রশিদ বলেন, জঙ্গি মতাদর্শের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মদদদাতাদের মুখোশ উন্মোচন করতে পারলে জঙ্গি উন্মাদনা কমে আসবে।
মোজাম্মেল বাবু বলেন, রগ কাটা থেকে শুরু করে প্রতিটি উগ্রপন্থার পেছনে জামায়াত শিবির জড়িত। দেশের সাম্প্রতিক গুপ্তহত্যা ও খুনের মোটিভ বিশ্লেষণে এই অপশক্তি সরাসরি জড়িত বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।
আইডিইবি’র সভাপতি বলেন, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদসহ সকল ধরনের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে হলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একক জাতিসত্তা নির্মাণ করতে হবে।