ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৫:৫০ ঢাকা, শনিবার  ২২শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

‘গুপ্তহত্যার পেছনে বিশ্বের শক্তিধর দেশ-দেশীয় ষড়যন্ত্রকারীরা জড়িত’

দেশের চলমান গুপ্তহত্যার পেছনে বিশ্বের শক্তিধর দেশ এবং দেশীয় ষড়যন্ত্রকারীদের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী।

বুধবার দশম জাতীয় সংসদে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, শক্তিধর দেশগুলো চোরকে বলে চুরি করতে, আর গৃহস্থকে বলে সাবধান থাকতে। এরা ‘সর্প হইয়া দংশন করে ওঝা হইয়া ঝাড়ে’। তারা একদিকে লাদেনের প্রশংসা করে, আবার প্রয়োজন পড়লে সমুদ্রে ফেলে দেয়। এরা একই শক্তি। এই শক্তি এবং দেশীয় ষড়যন্ত্রকারীরা জঙ্গি তৎপরতা চালিয়ে গুপ্তহত্যায় মেতে উঠেছে।

মতিয়া চৌধুরী বলেন, এখন এই শক্তিধর দেশগুলোতে একের পর এক, গণ্ডায় গণ্ডায় মানুষ খুন হচ্ছে। এমনকি এমপিকেও হত্যা করা হচ্ছে। অথচ চোরাগোপ্তা এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে সময়ে অসময়ে শক্তিধর এসব দেশের ‘আহা’ ‘উহু’র সীমা নেই।

তিনি বলেন, অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, বর্তমানে সবারই কপালে একটু ভাঁজ পড়েছে। বানরের লেজে আগুন দিয়ে ছেড়ে দিয়েছিল অন্যের বাড়িতে আগুন লাগাতে। এখন সেই আগুন নিজেদের বাড়িতেও ছড়িয়ে পড়েছে।

সঞ্চয়পত্রে সুদের হারের সরকারি-বেসরকারি বৈষম্য কমানোর তাগিদ দেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সঞ্চয়পত্রের ক্ষেত্রে দেখা যায়, দুই ধরনের সুদের হার। সরকারি কর্মচারীরা পায় বেশি হারে সুদ। সাধারণ মানুষ পায় কম হারে সুদ। সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে এই বৈষম্য থাকা উচিত নয়।

এসময় সঞ্চয়কারিদের মধ্যে বৃদ্ধদের বয়স্ক ভাতা দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বাজেট আলোচনায় আরও অংশ নেন মাহবুবউল-আলম হানিফ, আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, এইচ এন আশিকুর রহমান, দবিরুল ইসলাম, ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পি, সালাহউদ্দিন আহমেদ মুক্তি প্রমুখ।