Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ৩:৫৭ ঢাকা, বুধবার  ২১শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

‘গভীর সমুদ্রে সম্পদ আহরণের উদ্যোগ নেব’- প্রধানমন্ত্রী

সরকার আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে গভীর সমুদ্রে সম্পদ আহরণের উদ্যোগ নেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এই সম্পদ আহরণের উদ্যোগ না নিলে এগুলো বেহাত হয়ে যেতে পারে।

তিনি বলেন, ‘আমরা যদি ৫ বছরের মধ্যে এই সম্পদ আহরণ না করি তাহলে এগুলো হাতছাড়া হবার ভয় আছে। কাজেই আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিতে চাচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে যেমন খনিজ সম্পদ পাওয়া যাবে আবার খাদ্য সম্পদও প্রচুর আছে। ..যারাই আসুক আমরা তাদের সম্পদ আহরণের সুযোগ দিতে চাই। অন্তত আমরা সমুদ্র সম্পদ আহরণ শুরু করতে চাই।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে রাজধানীর ফার্মগেটস্থ বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০১৬- এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে মৎস্য সম্পদ উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, বাজারজাত এবং বিদেশে রপ্তানীর ক্ষেত্রে তার গুণগত মান বজায় রাখার আহবান জানান।
তিনি এ সময় যে কোন পণ্যই উৎপাদন, বাজারজাত এবং রপ্তানীর ক্ষেত্রেও গুণগতমান বজায় রাখার তাগিদ দেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাকসুদুল হাসান খান অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন।

মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, জাতীয় সংসদ নেতৃবৃন্দ, সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, এনজিও কর্মকর্তা, বিদেশী কূটনেতিক, উন্নয়ন সহযোগী দেশের প্রতিনিধিবৃন্দ, মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারিবৃন্দ এবং মৎস্য, পোল্ট্রি ও প্রাণি সম্পদ সম্পর্কিত ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় মৎস পুরস্কার ২০১৬ প্রদান করেন।

মৎস্য সম্পদ উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনায় অভাবনীয় সাফল্যের জন্য ৬টি শ্রেণীতে ২০ জন ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান-সংস্থাকে জাতীয় মৎস্য পুরস্কার ২০১৬ প্রদান করা হয়। ৫টি স্বর্ণ এবং ১৫টি রোপ্য পদক প্রদান করা হয়।

পদকের সঙ্গে সনদ এবং স্বর্ণ পদকের জন্য ৫০ হাজার এবং রোপ্য পদকের জন্য ৩০ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়।
মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ আরিফ আজাদ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন।

স্বর্ণ পদক বিজয়ীরা হচ্ছেন ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার আব্দুল হালিম, তিনি দেশীয় রুইমাছের সাথে তেলাপিয়া মাছের ৮ কোটি পোনা উদপাদন করে ২০১৫ সালে ২ কোটি টাকা আয় করেছেন।

যশোর জেলার সড়র উপজেলার মো.ওবায়দুর রহমান, তিনি ২৭ হেক্টর জমিতে তেলাপিয়া মাছের একক উৎপাদন করে প্রায় ১৩ কোটি পোনা উৎপাদন করে ১২ কোটি টাকা আয় করেন।

যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার মো. হাফিজুর রহমান, তিনি ৩ হেক্টর খামারে কৈ মাছ চাষে বিপ্লব সাধন করে ৩৫৫ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন করেন, হেক্টর প্রতি উৎপাদন হয় ১১৮ মেট্রিক টন।

কক্সবাজার জেলার সদর উপজেলার অংচিন ২০১১ সাল থেকে কাঁকড়া চাষে বিশেষ সাফল্য অর্জন করেন। তিনি ২০১৫ সালে ৩০ মেট্রিক টন কাঁকড়া রপ্তানী করে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা আয় করেছেন।

মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা সোহেল মো. জিল্লুর রহমান রিগান, এই কর্মকর্তা ইলিশ সম্পদ সংরক্ষণে বিশেষ ভূমিকার জন্য এবারের জাতীয় মৎস্য সম্পদ ২০১৬’র স্বর্ণ পদকে ভূষিত হন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সমুদ্রসীমা আইন করে গিয়েছিলেন এবং তারই ভিত্তিতে আমরা এই সমস্যার সমাধান করে সমুদ্রসীমা অর্জন করতে সমর্থ হয়েছি।

তিনি বলেন, এখন এই সমুদ্রসীমাকে আমাদের কাজে লাগাতে হবে। এখানে বহুমুখি সম্পদ রয়েছে। এখানে যেমন খনিজ সম্পদও পাওয়া যাবে আবার খাদ্য সম্পদও প্রচুর আছে। সেগুলি এখন প্রয়োজন আহরণ করা এবং ব্যবহার করা। অর্থাৎ ‘ব্লু ইকোনমি’র উপর আমরা জোর দিয়েছি। তাঁর সরকার ইতোমধ্যে সমুদ্রে মৎস সম্পদ জরিপ-গবেষণা সম্পন্ন করার জন্য ‘আর ভি মিন সন্ধ্যানী’ নামে একটি জরিপ জাহাজ ক্রয়ের পাশাপাশি আরও বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে বলেও প্রধানমন্ত্রী জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আসলে গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণের তেমন কোন অভিজ্ঞতা আমাদের নেই। অনেকেই বলেন-গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ করবেন কিন্তু কাউকেই আমরা ঠিক তেমন আগ্রহ নিয়ে এগিয়ে আসতে দেখছি না। অথচ যারা ব্যবসা-বাণিজ্য করতে চান তারা জানেন যে, আমরা যে অঞ্চলটা পেয়েছি সেখানে বিশাল মৎস্য ভান্ডার রয়েছে।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছিল, ৪টা কোম্পানী এসেছে। যারাই আসুক আমরা তাদের দিতে চাই। কারণ, আমরা যদি ৫ বছরের মধ্যে এই সম্পদ আহরণ না করি তাহলে এগুলো হাতছাড়া হবার ভয় আছে। কাজেই আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিতে চাচ্ছি।

বর্তমান বিশ্বে মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ ৪র্থ অবস্থানে রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের যে পরিমাণ সমুদ্রসীমা-নদ-নদী-খাল-বিল-হাওর-বাওড় রয়েছে, তাতে যতœবান হলে বাংলাদেশ মৎস্য উৎপাদনে বিশ্বে চতুর্র্থ নয়, প্রথম হতে পারে ।’

তিনি মৎস উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বাজারজাত এবং বিদেশে রপ্তানীর ক্ষেত্রে গুণগত মান বজায় রাখার আহবান জানান।

সব ধরনের পণ্য উৎপাদন, বাজারজাত এবং রপ্তানীর ক্ষেত্রে গুণগত মান বজায় রাখতে ব্যবসায়ীদের আহবান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সামান্য মুনাফার জন্য দেশের ক্ষতি করবেন না, নিজেদেরও বিপদ ডেকে আনবেন না।’

ইউরোপে চিংড়ি রফতানি বন্ধ হওয়ার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা ওজন বাড়ানোর জন্য চিংড়ির মধ্যে লোহা ঢুকিয়ে দিয়েছিলো। পরবর্তী সময়ে আমরা এসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি উন্নত প্রক্রিয়াজাতকরণের ক্ষেত্রে অনেকগুলো পদক্ষেপ নেই। ফলে আবারও রফতানি হচ্ছে।

মৎস্যখাতে লক্ষ্য অর্জনে সরকার ফরমালিনমুক্ত করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী এ সময় তাঁর সরকারের গৃহিত বিভিন্ন পদক্ষেপের তথ্য তুলে ধরে বলেন ‘এটা যে মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর মানুষকে আমরা সেটা বোঝাতে এবং সচেতন করতে সমর্থ হয়েছি। এছাড়া প্রতিটা খাদ্যপণ্যে অযথা ফরমালিন দিয়ে যেন জনস্বাস্থ্যের ক্ষতিসাধন করা না হয়- সে বিষয়েও আমরা কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, দেশের ১ কোটি ৮২ লাখ মানুষের জীবন-জীবিকা মৎস্য সম্পদের সঙ্গে সম্পর্কিত। কৃষিজ আয়ের প্রায় ২৪ ভাগ আসে এ খাত থেকে। জিডিপিতে মৎস্যসম্পদের অবদান প্রায় ৪ শতাংশ। প্রাণিজ আমিষের ৬০ ভাগ যোগান দেয় মৎস্য খাত।

তিনি বলেন, ‘এসব কথা চিন্তা করে আওয়ামী লীগ যখনই সরকার গঠন করেছে তখনই দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও উৎপাদন বৃদ্ধির উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কথায় আছে ‘মাছে-ভাতে বাঙালি’। আমরা যেখানেই যাই, যতো কিছুই খাই, শেষ পর্যন্ত মাছ-ভাত না খেলে আত্মতৃপ্তি আসে না। সুতরাং আমরা যারা মাছ খাই তারা নিজেরা খাবো, যারা খেতে পারে না, তাদেরও খাওয়ার ব্যবস্থা করবো।

মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য তাঁর সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের তথ্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পাবার পর থেকে এ পর্যন্ত বহুমুখী পদক্ষেপ হাতে নিয়েছি। যার ফলে আজকে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আগামীতে আমাদের মাছের যে চাহিদা- (বছরে ৪২ লাখ মে.ট.) তা পূরণে সক্ষম হব বলেই আমি বিশ্বাস করি। মাছের উৎপাদন বাড়িয়ে দেশের পুষ্টি চাহিদা পূরণে সক্ষম হবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে একদিকে যেমন পুষ্টি চাহিদা পূরণ অন্যদিকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা এবং এই কর্মসংস্থানের দিকেও আমরা বিশেষভাবে দৃষ্টি দিচ্ছি।

তিনি বলেন, আমাদের জাতীয় মাছ ইলিশ। এই ইলিশের জন্য সবাইতো হাহাকার করেন- সেই ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধিও জন্য তাঁর সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী অভিমত ব্যক্ত করেন যে, মাছ উৎপাদন বৃদ্ধির সাথে সাথে মৎস্যসম্পদ নিয়ে গবেষণাকে গুরুত্ব দেয়াতেই দেশে যেমন মাছের উৎপাদন বেড়েছে তেমনি ইলিশ’সহ অন্যান্য মাছের সাইজটাও কিন্তু বড় পাওয়া যাচ্ছে।

গবেষণাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জাটকা নিধন প্রতিরোধে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি জেলেদের মধ্যে কার্ড বিতরণের মাধ্যমে তাদের পরিবারকে প্রতিমাসে ৪০ কেজি করে চাল আমরা ৪ মাস পর্যন্ত দেয়া হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইলিশ ধরা বন্ধ থাকার ঐ সময়টাতে (ইলিশের ডিম পাড়ার মওসুমে) জেলেদের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য এটি করা হচ্ছে। অবশ্য সেই সময়টাতে তারা চাইলে খাঁচায় মাছ চাষ’সহ অন্য কাজকর্মও করতে পারেন।

অধিকাংশ জেলে ও জেলে পরিবারের মাঝে এ পর্যন্ত প্রায় ১৫ লাখ কার্ড বিতরণ হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ঝাটকা নিধন বন্ধে সরকারের পদক্ষেপকে অত্যন্ত সফল উল্লেখ করে এ সময় প্রধানমন্ত্রী আগামীতেও বিষয়টির প্রতি সকলকেই নজর রাখার আহবান জানান।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর নির্বাচনী ওয়াদা অনুযায়ী জনগণের পুষ্টিমান নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পুনরোল্লেখ করে বলেন, এ কারণেই আমরা মৎস্য ও পশুসম্পদ সম্প্রসারণের পাশাপাশি ফল-মূল তরিতরকারির উৎপাদন ও সরবরাহ বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। যার ফলে এই বর্ষার মওসুম’সহ বছরের ১২ মাস লাউ, গাজর, টমেটো, বাধাকপিসহ অনেক সবজি ও তরিতরকারি পাওয়া যায় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এগুলো এমনি এমনি হয়নি, গবেষণা করে, উৎপাদন বাড়িয়ে চাষীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তবেই করা গেছে। বাস্তবতা হচ্ছে- গবেষণায় যেমন গুরুত্ব দিয়েছি তেমনি যথেষ্ট বরাদ্দও আমরা দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী যুবসমাজের আত্মকর্মসংস্থান গড়ে তোর ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, শিক্ষিত ও বেকার যুব সমাজ শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে প্রশিক্ষণ ও সরকারের দেওয়া সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা নিয়ে মাছ চাষে এগিয়ে আসতে পারে। এতে করে পরিবারের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি অর্থ উপার্জন ও জাতীয় পুষ্টি চাহিদা পূরণে অবদান রাখার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তিনি প্রতিটি জলাভূমিকে মৎস্য চাষের আওতায় আনারও তাগিদ দেন।

নদীর নাব্যতা বাড়ানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের নদীগুলির দীর্ঘদিন কোন ড্রেজিং হয় না। সেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এগুলো আর তেমন ড্রেজিং হয়নি। আমাদের ক্যাপিটাল ড্রেজিং এবং মেনটেইনেন্স ড্রেজিং, দুটোই করতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, এতে নদীর নাব্যতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পণ্য পরিবহনে সুবিধা হবে, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা রোধ হবে। এটি বন্যা প্রবণতা হ্রাসের পাশাপাশি নদীতে পানি ধরে রাখা এবং জীববৈচিত্র রক্ষায় ভূমিকা রাখবে।

প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে ঋণ, জলমহাল প্রদান, গবেষণাসহ মৎস্য খাতের উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
পরে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় মৎস সপ্তাহ-২০১৬ উপলক্ষ্যে গণভবন লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।

‘জল আছে যেখানে মৎস চাষ সেখানে’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ১৯ থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত এই জাতীয় মৎস সপ্তাহ উদযাপিত হচ্ছে।