Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ১১:৫৭ ঢাকা, বুধবার  ২১শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

গণতন্ত্রের ভিত্তিকে শক্তিশালী করতে একতাবদ্ধ হয়ে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণতন্ত্রের ভিত্তিকে আরো শক্তিশালী করতে দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে সকলকে একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার গণতন্ত্র, সংবিধান, আইনের শাসন ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে অঙ্গীকারবদ্ধ। আমরা বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ করেছি। আমরা সপরিবারে জাতির পিতার হত্যার বিচারের রায় কার্যকর করেছি। জাতীয় চার নেতা হত্যার বিচার সম্পন্ন হয়েছে।
একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী-মানবতাবিরোধীদের বিচার রায় কার্যকর হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাকারীদের বিচার কাজ চলছে। কোন ষড়যন্ত্রই আমদের সত্য ও ন্যায় এবং মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার পথ থেকে বিচ্যুত করতে পারবে না।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘গণতন্ত্র মুক্তি দিবস’ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে এ আহবান জানান। আগামীকাল ছয় ডিসেম্বর ‘গণতন্ত্র মুক্তি দিবস’। ১৯৯০ সালের এই দিনে সৈ¦রাচারের পতন হয়।
এই দিনটিকে তিনি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ইতিহাসে এক তাৎপর্যপূর্ণ দিন উল্লেখ করে এ মহান দিবসে গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী সংগ্রামী দেশবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নব্বই পরবর্তী দুই দশকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা রেখেছে। বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অবৈধ ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ হয়েছে।
তিনি বলেন,ষড়যন্ত্রকারী ঘাতকেরা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা করে। পরবর্তীকালে অসাংবিধানিক ও অবৈধ সরকার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে জনগণের ভোটের অধিকার হরণ করে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধ্বংস করে। মহান স¦াধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ¦ল ইতিহাসকে বিকৃত করে। দেশে নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে।
সৈ¦রাচারী শাসন উৎখাত করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, জনগণের ভোট ও মৌলিক অধিকারসমূহ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দীর্ঘ সংগ্রাম করেছেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ আন্দোলন-সংগ্রামে দেশের মানুষ স¦তঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেয়। নুর হোসেন, বাবুল, ফাত্তাহ, ডা. মিলনসহ অগণিত গণতন্ত্রকামী মানুষ আত্মাহুতি দেন। সৈ¦রাচারী শাসক গণআন্দোলনের কাছে নতি স¦ীকার করতে বাধ্য হয়। শহিদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয় গণতন্ত্র। এ অর্জন ধরে রাখতে আমরা বদ্ধপরিকর।
তিনি দেশবাসীর এই স¦তঃপ্রণোদিত ত্যাগ ও অধিকার রক্ষায় আপোশহীনতার জন্য কৃতজ্ঞতা এবং গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের সকল আন্দোলনে জীবনোৎসর্গকারী দেশপ্রেমিক শহিদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।