ব্রেকিং নিউজ

রাত ৪:১৫ ঢাকা, রবিবার  ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ড. হাছান মাহমুদ
আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি, ফাইল ফটো

‘খুতবা-বয়ানে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে বক্তব্য তুলে ধরুন’

ধর্মের নামে জঙ্গি কর্মকাণ্ডকে বিশ্বব্যাপী সমস্যা উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, এ সমস্যার প্রভাব কিছুটা হলেও বাংলাদেশে পড়েছে। ধর্মের নামে মানুষ হত্যা করে এরা আমাদের পবিত্র ধর্ম ইসলামের গায়ে কালিমা লেপন করছে। আমি দেশের আলেম-ওলামদের প্রতি অনুরোধ করবো আপনারা খুতবা-বয়ানে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে বক্তব্য তুলে ধরুন, জঙ্গিবাদ গোটা মুসলিম উম্মাহকে যে বিপদাপন্ন করে তুলেছে তা বক্তব্য রাখুন। সরকার জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। আলেম সমাজকে সঙ্গে নিয়েই সরকার এ সমস্যার মূল উৎপাটন করবে।

শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ইউনাইটেড ইসলামি পার্টি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাছান মাহমুদ এ বক্তব্য করেন। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম।

আলেম সমাজকে সমাজের স্বাভাবিক নেতা উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে জুমার নামাজের খুতবায় জঙ্গি বিরোধি বক্তব্য তুলে ধরার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। যাতে কেউ ইসলামের অপব্যাখ্যা দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে না পারে এজন্য সরকার থেকে কেবল অনুরোধ করা হয়েছে মাত্র।

হাছান মাহমুদ বলেন, দেশব্যাপী যেসব জঙ্গি ধরা পড়েছে তাদেরকে যারা এ পথে এনেছে তারা অতীতে জামায়ত-শিবিরের রাজনীতি করতো। পত্রিকায় দেখলাম জামায়াত তথ্যমন্ত্রীর একটি বক্তব্যের সূত্র ধরে বিবৃতি দিয়েছে অথচ গুলাশান কিংবা শোলাকিয়ারর ঘটনা নিয়ে দেশের প্রায় সব রাজনৈতিক দল বিবৃতি দিলেও জামায়াত এ সমস্ত ঘটনা নিয়ে নিশ্চুপ ছিল।এ থেকেই স্পষ্ট কারা এসব গুপ্ত হত্যাকাণ্ড,জঙ্গি কর্মকাণ্ড ঘটাচ্ছে। এ সমস্ত ঘটনাপ্রবাহের ইন্ধনদাতা, অর্থযোগান দাতাদের গোয়েন্দারা চিহ্নিত করেছে।আশা করছি অচিরেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের গ্রেফতার করতে পারবে।

আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক তার বক্তব্যে আরো বলেন, খালেদা জিয়া জঙ্গিদের পাশে রেখে জঙ্গি বিরোধি জাতীয় ঐক্যের কথা বলেছেন। এটি জাতির সাথে মশকরা ছাড়া আর কিছুই না। তিনি যদি আন্তরিক হয়ে থাকেন তাহলে জামায়াতকে ছাড়তে হবে, জোটে যে সমস্ত দলে আফগানিস্তান, পাকিস্তানে ট্রেনিংপ্রাপ্ত জঙ্গি আছে সে দলগুলোকে বাদ দিতে হবে এবং আন্দোলনের নামে মানুষ পুড়িয়ে মারার জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে তাহলেই বেগম জিয়ার কথা জনগণের কাছে বিশ্বাসযোগ্য হবে।

সংগঠনের সভাপতি মাওলানা ইসমাইল হোসেনের সভাপতিত্বে সংগঠনটির বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ এতে বক্তব্য রাখেন।