সৌদি আরবের কর্মকর্তাদের হাতে সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘের তদন্ত কমিটি। খবর বিবিসি’র।

জাতিসংঘের প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ড বিষয়ে তুরস্কের তদন্ত করার উদ্যোগে সৌদি আরব বাধা দেয়ার সব ধরণের চেষ্টা করেছে।

ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে সাংবাদিক খাশোগিকে হত্যার ঘটনার যখন ১৩ দিন হয় , তখনও তুরস্কের তদন্তকারি কর্মকর্তাদের সেখানে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়নি। এভাবে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছিল সৌদি আরবের পক্ষ থেকে। এসব উল্লেখ করা হয়েছে জাতিসংঘের প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে।

এছাড়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি কর্মকর্তারা পূর্ব পরিকল্পনা করে সাংবাদিক খাশোগিকে নিষ্ঠুর এবং নৃশংসভাবে হত্যা করেছে।প্রাথমিকভাবে এমন প্রমাণ পাওয়া গেছে।

খাশোগি হত্যাকাণ্ডে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সম্পৃক্ততা আছে বলে জোরালো অভিযোগ উঠে। ছবি: সংগৃহীত।

গত ২৮শে জানুয়ারি থেকে ৩রা ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তুরস্ক সফর করেছেন এই তদন্ত কমিটির প্রধান অ্যাগনেস ক্লামারড তদন্তের জন্য। তদন্তে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে বাধা সৃষ্টির চেষ্টার সমালোচনা করেছেন মিজ ক্লামারড।

এছাড়া সৌদি আরবে ১১জনকে বিচারের মুখোমুখি করার যে কথা বলা হচ্ছে, সেই বিচারের স্বচ্ছ্বতা এবং নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মিজ ক্লামারড।

২০১৮ সালে ২ অক্টোবর তুরস্কের সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশের পর নিখোঁজ হন সাংবাদিক খাশোগি। এরপর খাশোগি হত্যাকাণ্ডে সৌদি যুবরাজের জড়িত থাকার ব্যাপারেও অভিযোগ তুলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও গোয়েন্দা। কিন্তু বরাবরই যুবরাজ জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করে সৌদি আরব।

সর্বশেষ সংশোধিত: , মাধ্যম: শীর্ষ মিডিয়া