ব্রেকিং নিউজ

রাত ৮:০৫ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ২০শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

খালেদা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আবোল-তাবোল বলছেন : মায়া

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী (মায়া) বীর বিক্রম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে রাজনীতি ও নির্বাচনের মাঠে পরাজিত হয়ে বেগম খালেদা জিয়া দিশেহারা হয়ে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এখন আবোল-তাবোল মন্তব্য করছেন।
তিনি বলেন, ‘বিজয়ের মাসে খালেদা জিয়া শহীদদের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আবারও প্রমাণ করেছেন তিনি মনেপ্রাণে এখনো পাকিস্তানে বিশ্বাসী। শেখ হাসিনার কাছে খালেদা জিয়া সব কিছুতে পরাজিত হয়েছেন, রাজনীতির মাঠে পরাজিত হয়েছেন, নির্বাচনী মাঠে পরাজিত হয়েছেন। আগামীতেও পরাজিত হবে। তিনি কোনো দিক দিয়েই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে পেরে উঠতে পারবেন না। তবে দলের প্রত্যক নেতা-কর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’
ত্রাণমন্ত্রী আজ তার চাঁদপুরের বাসভবনে দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।
মায়া চৌধুরী বলেন, ‘যে যুদ্ধে লাখ লাখ মানুষ জীবন দিয়েছে, মায়ের রক্তে রঞ্জিত হয়েছে বাংলাদেশ; যে যুদ্ধে ডাক্তার, লেখক, শ্রমিক বুদ্ধিজীবীরা জীবন দিয়েছে, আর সেই রক্ত নিয়ে কটাক্ষ্য করলেন তিনি। সামনের পৌরসভা নির্বাচনে এর জবাব জনগণ বেগম জিয়াকে দিবে।’
তিনি বলেন, খালেদা জিয়া মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে যে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করেছেন- তা ক্ষমার অযোগ্য। অতীতে এমন মন্তব্য খোদ পাকিস্তানীরাও করার সাহস দেখায়নি। যুদ্ধাপরাধী দল জামায়াতের সঙ্গে বিএনপি’র রাজনৈতিক সখ্যতার কারণে বেগম খালেদা জিয়া এমন ক্ষমার অযোগ্য ও অশালীন মন্তব্য করেছেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমি কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। মতলববাসী প্রমাণ পেয়েছে। আগামীতে আরো দেখবে। আমি বর্তমান সরকারের সময়ে আগামী দুই বছরের মধ্যে উপজেলার প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেব। সে লক্ষ্যে দ্রুত কাজ এগিয়ে চলছে।’
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে কালিপুর-ভবেরচর ফেরি সার্ভিস চালু হয়েছে, মতলবের বেড়িবাঁধের বাকি ২৪ কিলোমিটার পাকা কাজ শুরু হয়েছে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে মতলবের পুরো বেড়িবাঁধ পাকা হবে। এছাড়া পুরো বেড়িবাঁধকে সোলার বাতি বসিয়ে আলোকিত করা হবে। ৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ষাটনল থেকে আমিরাবাদ পর্যন্ত পর্যটন জোন গড়ে তোলার কাজ চলছে। এতে মতলবের ১০ হাজার বেকার লোকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। এছাড়া উপজেলার ঘনিয়ারপাড়ে নির্মিত হচ্ছে স্টেডিয়াম। আর গজরাতে ফায়ার সার্ভিস, শিল্পকলা একাডেমী, মা ও শিশু হাসপাতাল নির্মাণের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এখলাছপুরের চরকাশিম বোরো চরে ৫০০ কোটি ব্যয়ে উন্নত মানের বীজ উৎপদন কেন্দ্র হচ্ছে। এতে ২-৩ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। এছাড়া এ উপজেলায় ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে আইটি পার্ক তৈরি হচ্ছে। এতে উপজেলার ৩ থেকে ৪ হাজার শিক্ষিত বেকার যুবক-ছাত্রের কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মনজুর আহমেদ মঞ্জু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ কুদ্দুস, উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি ও উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সভাপতি স্বর্ণপদক প্রাপ্ত চেয়ারম্যান শামসুল হক চৌধুরী বাবুল ও বিশিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতা এ কে এম শফিক উল্যা সরকার।