ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৭:১৫ ঢাকা, রবিবার  ২১শে অক্টোবর ২০১৮ ইং

মাহবুব উল আলম হানিফ
আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, ফাইল ফটো

খালেদা জিয়ার মুক্তি বিএনপি নেতারাই চায় না : হানিফ

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ এমপি বলেছেন, বিএনপির নেতারাই চায় না তাদের নেত্রী জেল থেকে মুক্তি পান। বিএনপির নেতাদের দাবী, কারাগারে খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা বাড়ছে। তার জনপ্রিয়তা যদি বেড়েই থাকে তাহলে তার জেলে থাকাই ভালো। তিনি বলেন, এতিমের টাকা চুরি করে জেলে থাকায় খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা বাড়ছে, এ ধরনের দাবি হাস্যকর।

মাহবুব-উল-আলম হানিফ আজ দুপুরে রাজধানীর শাহবাগের ঢাকা ক্লাবের স্যামসাং এইচ চৌধুরী মিলনায়তনে সাপ্তাহিক ক্রাইম জগত নামে একটি পত্রিকার উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

সাপ্তাহিকটির প্রকাশক ও সম্পাদক মো. রিয়াজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রেলপথ মন্ত্রী মুজিবুল হক, আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপুমনি, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী প্রমূখ।

মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, উগ্র মৌলবাদী শক্তি দেশকে অন্ধকারে নিয়ে যাওয়ার জন্যই ড. জাফর ইকবালের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে।

মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ও মৌলবাদী শক্তি ধর্মের দোহাই দিয়ে দেশের নিরীহ মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করেছিল। একাত্তরের ঘাতকদের সঙ্গে জাফর ইকবালের হামলাকারীদের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জঙ্গীবাদ বিরোধী কঠোর অবস্থানের জন্য মৌলবাদী শক্তি দূর্বল হলেও নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। বিএনপি-জামায়াতের পৃষ্ঠপোষকতায় এখনো তারা টিকে রয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এই অপশক্তিকে নির্মূল করতে পারবে।

হানিফ বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পর ধর্মীয় রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিলেন। কিন্তু বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসার পর বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নামে ধর্মীয় রাজনীতি পুনরায় চালু করেন। আজ জাতি জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় গণতন্ত্রের রাজনীতির মাশুল দিচ্ছে।

অনুষ্ঠান শেষে হানিফ শাহবাগের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, আজিজ সুপার মার্কেট এলাকায় আওয়ামী লীগের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ৭ মার্চের জনসভা সফল করার জন্য লিফলেট বিতরণ করেন।

এ সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীসহ দলের সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।