ব্রেকিং নিউজ

রাত ২:২৯ ঢাকা, বুধবার  ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

খালেদা চিঠির প্রেক্ষিতেই বাড়তি নিরাপত্তা: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই তাঁকে বাড়তি নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের নেতাকর্মীরা শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত্ করতে এলে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা খালেদা জিয়াকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘ওই ভদ্রমহিলা কেন অফিসে থাকছেন? আবার বলছেন, বন্দি করে রাখা হয়েছে। আসলে আগে থেকেই সেখানে থাকার সব ব্যবস্থা করা হয়েছে। উনি কয়েকদিন আগে নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য চিঠি দিয়েছিলেন। যেই আমরা নিরাপত্তা বাড়াতে গেলাম, অমনি কথা বলা শুরু হলো।’

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উদ্দেশে করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ২০১৪ সালে নির্বাচনে না এসে মানুষ পুড়িয়ে মেরেছেন। আবারও আজকে ঠিক একই ঘটনা ঘটাচ্ছেন। ওই সময় ট্রানজিট পিরিয়ড ছিল। ওই অবস্থায় উনি নির্বাচন ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছেন। এরপর উনি কী করে মনে করেন, কয়েকজন মানুষ হত্যা করে আজকে ক্ষমতায় আসবেন।’ তিনি বিএনপিকে ধ্বংসাত্মক পথ পরিহারের আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, ইসলাম মানবতার ধর্ম। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আজকে মহান ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) পালন করছে। দুঃখজনক হলেও সত্য তাঁর প্রতি সম্মান প্রদর্শন না করে তারা নানা ধরনের নাশকতামূলক কাজ ও ধংসাত্মক কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উনি (খালেদা জিয়া) ঘরে থাকার কারণে সবাইকে আতঙ্ক নিয়ে চলতে হচ্ছে। মানুষকে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বিষয়। উনি ২০১৪ সালে নির্বাচনে না এসে রাজনৈতিক ভুল করেছেন। উনি নির্বাচনে না এসে কী আশায় বুক বেঁধেছিলেন জানি না। নির্বাচনে না এসে কোন পথে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন?

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতায় শিক্ষাক্ষেত্রে নেওয়া নানা পদক্ষেপের বর্ণনা করেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সৌজন্য সাক্ষাতের সময় ছাত্রলীগের সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।