Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ২:৫২ ঢাকা, মঙ্গলবার  ১৩ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

খালেদার ‘সিম নিবন্ধন’ নিয়ে মাথা ব্যথার কারণ কি?

সবাই মোবাইল সিম নিজ নামে নিবন্ধন করে ব্যবহার করে তা কিন্তু নয়, আবার কারো একদম না-ই থাকতে পারে, কেউ হয়তো আগে ব্যবহার করতেন এখন আর করবেনা। মন্ত্রী তারানার ভাষ্যমতে মনে করা হচ্ছে খালেদা জিয়ার নামে সিম ছিল কিন্তু তিনি নিবন্ধন করান নি। এর আগে আওয়ামী লীগের ২/১জন নেতাও মন্ত্রী তারানার শুরে একই কথা বলেছেন। আর খালেদা জিয়ার পক্ষের দাবি মোবাইল ব্যবহার না করায় নিবন্ধনের প্রশ্ন কিসের? স্বাভাবিকভাবে একজনের সিম না থাকলে কিংবা ব্যবহারের ইচ্ছে না থাকলে তার বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের প্রশ্ন আসার কথাও না। তাহলে খালেদা জিয়ার নামে বায়োমেট্রিক সিম নিবন্ধন নিয়ে এত মাথা ব্যথার কারণ কি? এ নিয়ে মানুষ নানা ধরণের প্রশ্নের অবতারণার করছেন পথে ঘাটে। সাধারণ মানুষ উভয় পক্ষের কথা শুনে মনে করছেন এটা নিয়েও রাজনীতি চলছে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, তার দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কোনো ব্যক্তিগত মোবাইলফোন নেই।প্রতিমন্ত্রীর এ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব  বলেন, ‘আমাদের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ব্যক্তিগতভাবে কোনো মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন না। তাই তার সিম বায়োমেট্রিক নিবন্ধন করার প্রশ্নই ওঠে না।’

রুহুল কবির রিজভী বলেন,  বিএনপি চেয়ারপারসনের বাসা ও অফিসে টিঅ্যান্ডটি টেলিফোন আছে। ওই টেলিফোনগুলোই তিনি ব্যবহার করেন।

এর আগে রোববার সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম জানিয়েছিলেন,খালেদা জিয়া সিম নিবন্ধন করেননি। তিনি আশা করেন খালেদা জিয়া তার সিম নিবন্ধন করবেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আঙুলের ছাপ পদ্ধতিতে (বায়োমেট্রিক) তার মোবাইল সিম পুনঃনিবন্ধন করেননি।তিনি বলেন, ‘আমি আশা করেছিলাম বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া সিম পুনঃনিবন্ধন করবেন। কিন্তু তিনি তা করেননি।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়া এখনও নিবন্ধন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে তাকে প্রচলিত নিয়ম মেনে নিবন্ধন করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন খালেদা জিয়াকে নতুন সিম কিনতে হবে। কারণ তার নামে এখনও কোনো সিম নিবন্ধন হয়নি। জনগণ তার কাছে আরও সচেতন আচরণ আশা করেন।’

এ সময় বিএনপি নেত্রীকে তার সিম পুনঃনিবন্ধন করারও আহ্বান জানান তারানা হালিম।

তিনি বলেন, সিম পুনঃনিবন্ধন প্রক্রিয়ার মধ্যে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও সরকারের মন্ত্রী, এমপি, সচিবসহ সবাই অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে আঙুলের ছাপ পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। প্রথমে নিবন্ধনের শেষ সময় ৩০ এপ্রিল নির্ধারণ করা হলেও পরে তা এক মাস বাড়িয়ে ৩১ মে করা হয়।

FOLLOW US: