ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৫:৩৬ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

খালেদার বিরুদ্ধে নাইকো মামলা বাতিল সংক্রান্ত রুলের শুনানি শেষ

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা নাইকো মামলা বাতিল সংক্রান্ত রুলের শুনানি শেষ হয়েছে। সুপ্রীম কোর্টের অবকাশকালীন ছুটির পর এর রায় ঘোষণা করা হবে। বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান ও বিচারপতি জাফর আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে নাইকো মামলা বাতিল সংক্রান্ত রুলের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে ৮ এপ্রিল খালেদার চারটি মামলা শুনানির জন্য হাইকোর্টের নতুন এ বেঞ্চ নির্ধারণ করেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা।
বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে মামলাগুলোর শুনানি হয়েছিল। এরপর খালেদার আইনজীবীরা অনাস্থা আবেদন করলে প্রধান বিচারপতি নতুন করে বেঞ্চ গঠন করে দেন।
খালেদার মামলা স্থগিত করে হাইকোর্টের দেয়া রুলের শুনানির জন্য দুদকের আবেদনের শুনানি হয়। দুদকের আবেদনে খালেদার বিরুদ্ধে মামলাটি সচলের প্রার্থনা করা হয়।
আদালতে খালেদার পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী। তাকে সহযোগিতা করেন ব্যারিস্টার এহসানুর রহমান। দুদকের পক্ষে ছিলেন এ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান।
প্রসঙ্গত, ১৪ জুন সুপ্রীম কোর্টের অবকাশকালীন ছুটি। এ ছুটির পর রায় ঘোষণা করা হবে।
খুরশিদ আলম খান সাংবাদিকদের বলেন, আমরা শুনানি শেষ করেছি। বিচারিক আদালতে মামলা সচল রাখার আরজি জানিয়েছি।
খালেদার আইনজীবী রাগিব আহমেদ চৌধুরী বলেন, আদালত রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছেন। আমরা একটি সম্পূরক আবেদন জমা দেব।
২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক (বর্তমানে) উপ-পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম বাদী হয়ে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলাটি করেন। ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে কানাডার কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির করে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা ক্ষতির অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করা হয়।
দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক (বর্তমানে উপ-পরিচালক) এস এম সাহিদুর রহমান তদন্ত করে ২০০৮ সালের ৫ মে এ মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়।
মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে খালেদা জিয়ার আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০০৮ সালের ১৫ জুলাই নাইকো দুর্নীতি মামলার কার্যক্রম দুই মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে স্থগিতাদেশের মেয়াদ কয়েক দফায় বাড়ানো হয়।