Press "Enter" to skip to content

‘খালেদার বিচারে আদালত বসবে কারাগারে’

কারাগারে থাকা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার শুনানির জন্য কারাগারের ভেতরে বিশেষ আদালত বসানো হবে।

মঙ্গলবার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়।

এর আগে, বুধবার পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে এই মামলার শুনানি হবে বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল।

এ আইনজীবী জানান, খালেদা জিয়ার মামলাটা গত ফেব্রুয়ারি থেকে ছয় মাস হয়ে গেল কোনো কার্যক্রম করতে পারছি না। জিয়া চ্যারিটেবল মামলায় খালেদা জিয়া উপস্থিত হচ্ছেন না। এ কারণে আমরা বলেছি, খালেদা জিয়া যেখানে আছেন সেখানেই আদালত বসানো প্রয়োজন। আমরা বলার পর আজ গেজেট প্রকাশ করার সম্ভাবনা আছে। গেজেট সাপেক্ষে বুধবার কারাগারে আদালতের কার্যক্রম বসবে।

কারাগারের ভেতর বিচার অনুষ্ঠিত হলে তা হবে আইনের পরিপন্থী উল্লেখ করে খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, খালেদা জিয়ার বিচার কারাগারের ভেতর হবে, তারা এমন খবর জানেন না। কারাগারের ভেতর আদালত করা আইনের পরিপন্থী, এটা হতে পারে না।

খালেদা জিয়ার অপর আইনজীবী আবদুর রেজাক খান গণমাধ্যমকে বলেন, কারাগার কখনো প্রকাশ্য আদালত বলে বিবেচিত হতে পারে না। সংবিধান অনুযায়ী বিচার হতে হবে প্রকাশ্য আদালতে।

সিনিয়র এ আইনজীবী বলেন, তার জানা মতে বাংলাদেশে সামরিক আইনে কারাগারের ভেতর কর্নেল তাহেরের বিচার হয়েছিল। আর পাকিস্তান আমলে একজন রাজনীতিকের মামলার বিচার কারাগারের ভেতরের আদালতে হয়েছে।

উল্লেখ্য, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জামিন দিয়েছিলেন আদালত।

গত ৭ আগস্ট মামলাটির যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকায় তাকে আদালতে হাজির করেনি কারা কর্তৃপক্ষ।

ওই সময় খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত জামিন বহাল রাখেন।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। এরপর থেকে খালেদা জিয়া পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন। ওই মামলায় তিনি জামিন পেলেও কুমিল্লায় তার নামে থাকা মামলায় জামিন না পাওয়ায় মুক্তি পান নি খালেদা জিয়া।

Mission News Theme by Compete Themes.