ব্রেকিং নিউজ

সন্ধ্যা ৬:৫৩ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ২০শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

খালেদার গুলশান অফিসের বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট ও ডিশ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

Like & Share করে অন্যকে জানার সুযোগ দিতে পারেন। দ্রুত সংবাদ পেতে sheershamedia.com এর Page এ Like দিয়ে অ্যাক্টিভ থাকতে পারেন।

 

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। শুক্রবার দিনগত রাত পৌনে ৩টার দিকে কার্যালয়টির বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ডেসকো কর্মীরা পুলিশ নিয়ে এসে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। শনিবার সকাল ১১টার দিকে ইন্টারনেট এবং ডিশ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়।
‘খালেদা জিয়ার কার্যালয় ঘেরাও এবং সেখানকার গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানি ও খাবার সরবরাহসহ সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা বন্ধ করে দেয়া হবে’ নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের এমন হুমকির ১৬ ঘন্টার মাথায় বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হল।
বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তা সামসুদ্দিন দিদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের আশেপাশের ভবনে বিদ্যুৎ সংযোগ থাকলেও বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই।
তিনি বলেন, গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোহেল রানা ও ডেসকোর লাইনম্যান মোকসেদ আলী এসে খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
দিদার আরো জানান, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার কারণ জানতে চাইলে তারা জানান, আমরা কিছু জানি না। থানার নির্দেশে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে এসেছি।
এবিষয়ে গুলশান থানার কর্তব্যরত কর্মকর্তা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন নিয়ে কোন  মন্তব্য করতে অপরাগতা প্রকাশ করেন।
গুলশান কার্যালয়ে খালেদা জিয়া ছাড়াও সম্প্রতি মারা যাওয়া আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান ও তাঁদের দুই মেয়ে, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান, প্রেস উইংয়ের সদস্য শাইরুল কবির খান, শামসুদ্দিন দিদার অবস্থান করছেন।
এছাড়াও কার্যালয়টিতে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষী চেয়ারপারসন সিকিউরিটি ফোর্স (সিএসএফ) ও কার্যালয় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও রয়েছেন বলে জানা গেছে।
৫ জানুয়ারি সমাবেশের আগের দিন থেকে খালেদা জিয়া এই কার্যালয়ে ১৬ দিন অবরুদ্ধ ছিলেন। অবরুদ্ধ অবস্থা এই কার্যালয়টির প্রধান ফটকসহ দুটি ফটকেই বেশ কয়েকবার তালা ঝুলিয়ে দেয় পুলিশ। তাবলীগ জামায়াতের দ্বিতীয় দফা জমায়েত শেষে ১৯ জানুয়ারি রাতে তার কার্যালয়ের সামনে থেকে সরকার বালুর ট্রাক, পুলিশের ভ্যান ও জলকামান সরিয়ে নেয়।