Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ২:৪২ ঢাকা, বুধবার  ১৪ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

খালেদার কান্না জঙ্গীবাদীর জন্য,গণতন্ত্রের জন্য নয়

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু (এমপি) বলেছেন, খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের জন্য কান্নাকাটি করছেন না। তার কান্না জঙ্গীবাদীর জন্য গণতন্ত্রের জন্য নয়। তিনি রাজাকার আর জঙ্গীবাদের জন্য গণতন্ত্র চান। বাংলার মাটিতে তার সে স্বপ্ন কোনো দিন পূরণ হবে না।
মন্ত্রী আজ শুক্রবার বিকালে রাজধানীর খিলক্ষেত বরুয়া আলাউদ্দিন দেওয়ান উচ্চবিদ্যালয় মাঠে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ঢাকা মহানগর উত্তর জাসদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন-২০১৪-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
হাসানুল হক ইনু বলেন, বেগম জিয়া জঙ্গীবাদ আর রাজাকারদের হাতে দেশটাকে ইজারা দিতে চায়।
ঢাকা মহানগর উত্তর জাসদ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্বা শফিউদ্দিন মোল্লার সভাপতিত্বে সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ স¤পাদক শরীফ নুরুল আম্বিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আকতার, মহানগর উত্তর জাসদের সাধারণ সম্পাদক মো. ইদ্রিস আলী, কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা মোখলেছুর রহমান মোক্তাদী, মাইনুর রহমান, মীর হোসাইন আক্তার, উত্তরা থানা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্বা এস এম তোফাজ্জল হোসেন, জাসদ নেতা রাজু আহমেদ রাজু, আমির আলী মাদবর ও নূর নবী প্রমুখ।
সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিয়নের নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এবং অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথিরা জাতীয় সংঙ্গীতের মাধ্যমে জাতীয় ও দলীয় পতাকা এবং পায়রা উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার ভাবনা চক্রান্তের মধ্যে দিয়ে ক্ষমতায় আসা। তিনি রাজাকার, জঙ্গীবাদ ছাড়েননি। রাজাকারদের রাজাকারি ধরার জন্য এক সাথে নির্বাচন করতে হবে। যুদ্বাপরাধীদের গ্রেফতার, সাজা ও ফাঁসি অল্প কিছুদিনের মধ্যে কার্যকর করা হবে।
তিনি বলেন, রাজাকারদের শয়তানী চিরতরে বন্ধ করতে সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে। জাতির জনক বন্ধবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়তে হলে সবাইকে একত্রিত হয়ে সমানভাবে কাজ করতে হবে।
তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, নারীর ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। মাজারে মাজারে আর এখন বোমাবাজি হয় না। জঙ্গীবাদ ধ্বংস করার জন্য কাজ হাতে নিয়েছি।
বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড সম্পর্কে মন্ত্রী আরো বলেন, দেশে এখন বিদ্যুতের উৎপাদন বেড়েছে। সারের দাম কমেছে। শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে বই দেয়া হচ্ছে। কোনো লোডশেডিং নেই। ২/৩ দিনেও বিদ্যুৎ যায় না। দেশের মানুষ এখন শান্তিতে আছে। দেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।