ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৭:২৫ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

খালেদার আন্দোলন রাজনৈতিক নয়- সন্ত্রাসী এবং ক্ষমতায় যাওয়ার আন্দোলন

Like & Share করে অন্যকে জানার সুযোগ দিতে পারেন। দ্রুত সংবাদ পেতে sheershamedia.com এর Page এ Like দিয়ে অ্যাক্টিভ থাকতে পারেন।

 

নৌপরিবহনমন্ত্রী ও শ্রমিক-কর্মচারী-পেশাজীবী- মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদের আহ্বায়ক শাজাহান খান বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার আন্দোলন রাজনৈতিক নয়- সন্ত্রাসী এবং ক্ষমতায় যাওয়ার আন্দোলন।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার নির্দেশে কতো মায়ের বুক খাালি হয়েছে, কতো মা স্বামীহারা হয়েছে, কতো বোন ভাইহারা হয়েছে আমি তা জানি না। এর জবাব কে দেবে- তাও আমি জানি না। তবে এটুকু বলতে পারি, পেট্রোল বোমা ছোঁড়ার নির্দেশদাতা খালেদা জিয়াকে জবাবদিহি করতে হবে।
মন্ত্রী আজ বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়শনের (বিএমএ) মিলনায়তনে শ্রমিক-কর্মচারী-পেশাজীবী -মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদ আয়োজিত কনভেনশনে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
কনভেনশনে ৩০টি পেশার (বেসিক ইউনিয়ন) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বক্তব্য রাখেন। তারা আন্দোলনের রূপরেখা তুলে ধরেন।
বক্তব্য রাখেন- জাতীয় শ্রমিক জোটের সভাপতি শিরীন আখতার, সদস্য-সচিব মালেক মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) হেলাল মোশের্দ খান বীরপ্রতিক, মো. সালাহউদ্দিন (সোনালী ব্যাংক- সিবিএ), সমন্বয় পরিষদের যুগ্ম-মহাসচিব এ জেড এম কামরুল ইসলাম প্রমুখ।
সভায় দশদিনের কর্মসূচিও ঘাষণা করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- আগামি ৯ ও ১০ ফেব্রুয়ারি সোমবার ও মঙ্গলবার ঢাকার বিভিন্ন স্থানে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল।
এ ছাড়াও ১১ ফেব্রুয়ারি বুধবার বিকাল তিনটায় ঢাকার শাহবাগ চত্বরে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল, ১২ ফেব্রুয়ারি রোববার সকাল ১১টায় দেশব্যাপী সকল বাস, ট্রাক, ট্যাংক-লরি, টারমিনালে বিক্ষোভ সমাবেশ। শেষে মিছিলসহ জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার জন্য স্মারকলিপি প্রদান।
১৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে জাতীয় প্রেসক্লাবের সম্মুখে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে ২০-দলীয় জোটের মানুষ হত্যার প্রতিবাদ, ১৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় ঢাকার গুলশান ওয়ান্ডারল্যান্ড পার্ক সংলগ্ন মাঠে সমাবেশ এবং সমাবেশ শেষে বেগম খালেদা জিয়ার কার্যালয় অভিমুখে যাত্রা, ১৬ ফেব্রুয়ারি সকল জেলায় প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ, ১৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় শাপলা চত্বরে জমায়েত এবং জমায়েত শেষে শহীদ মিনার পর্যন্ত জাতীয় পতাকা মিছিল।
এ ছাড়া বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে ট্রাক মিছিল সহকারে ঢাকা শহর প্রদক্ষিণ।
শাজাহান খান বলেন, আমাদের হিসেব অনুয়ায়ী বিএনপি-জামায়াত জোটের পেট্রোল বোমার আঘাতে ৮৫ জন লোক মৃত্যুবরণ করেছে। এরমধ্যে অধিকাংশ গাড়ীর ড্রাইভার ও হেলপার।
তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত বিদেশী প্রভূদের কাছে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। তারা যা নির্দেশ দিচ্ছেন বেগম জিয়া তাই করছেন।
তিনি বলেন, আজ ’৭১-এর পরাজিত শক্তি ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। তারা আজ উঠে-পড়ে লেগেছে। সরকারের বিরুদ্ধে তাদের আন্দোলন নয়- তাদের আন্দোলন জনগণের বিরুদ্ধে।