ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৬:৫১ ঢাকা, বুধবার  ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

কথিত বন্দুকযুদ্ধ ও ক্রসফায়ারের পরও আন্দোলনকারীরা অগ্রগামী

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ সরকারকে হুঁশিয়ার করে বলেছেন, ভোটারবিহীন সরকার মনে করছে বেগম জিয়াকে গ্রেফতার করলেই বোধহয় ২০ দলের আন্দোলনে ভাটা পড়বে। কিন্তু কথিত বন্দুকযুদ্ধ ও ক্রসফায়ারের পরও আন্দোলনকারীরা যখন হরতাল অবরোধে অগ্রগামী তখন বেগম জিয়াকে গ্রেফতারের পরিণতি হবে বর্তমান অবৈধ সরকারের জন্য রাজনৈতিক অন্তেষ্টিক্রিয়া। শুক্রবার সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে রিজভী এ কথা বলেন।

রিজভী বলেন, বর্তমান অবৈধ সরকারের প্রধান থেকে শুরু করে অন্যান্য সদস্যবৃন্দ ও শাসকদলের উচ্চ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের বক্তব্য-বিবৃতি শুনলে মনে হয় কে কত নিম্নরুচির ভাষা প্রয়োগ করতে পারে সেটার প্রতিযোগিতা করছেন তারা। মহান জাতীয় সংসদকে যেন আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় কার্যালয় কিংবা আওয়ামী মহাজোট সরকারের ক্লাব ঘরে পরিণত করা হয়েছে। সেখানে গানবাজনা থেকে শুরু করে জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে গালিগালাজ এবং বর্তমান চলমান আন্দোলন দমানোর হুমকি-ধামকির প্রতিযোগিতা চলছে।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনকে গ্রেফতার ও বিচার করার জন্য তারা তারস্বরে চিৎকার জুড়ে দিয়েছে।  দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিপুল জনপ্রিয়তা ও বিএনপির অস্তিত্ব প্রধানমন্ত্রীর একমাত্র জ্বালা। সেটি বুঝতে পেরেই শেখ সেলিমরা বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে অশ্রাব্য চিৎকার করে।

তিনি বলেন, এখন একদলীয় রাষ্ট্র, একদলীয় জাতীয় সংসদ, একদলীয় নির্বাচন, একদলীয় জনপ্রশাসন এবং একদলীয় বিচার ব্যবস্থা বিরাজমান। সমগ্র রাষ্ট্রকে আওয়ামীকরণ করা হয়েছে। এই ব্যবস্থায় আইনি প্রক্রিয়ার অর্থ হচ্ছে-প্রধানমন্ত্রীর জারিকৃত ফরমানের ধারাবাহিক বাস্তবায়ন। আওয়ামী নেতারা ভুলে গেছে দেশের মালিক জনগণ, কোনো ভোটারবিহীন সরকার বা সংসদ নয়।

রিজভী অভিযোগ করেন, গত ছয় বছর ধরে বিএনপিকে ধ্বংস করতে এমন কোনো বেপরোয়া নিষ্ঠুরতা নেই যা এই অবৈধ সরকার করেনি।
আ’লীগের প্রকাশ্য কর্মসূচি ছিল বিএনপিসহ আন্দোলনরত বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের গুম করা কিংবা বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে গুলি করে ক্ষতবিক্ষত লাশ অজ্ঞাত স্থানে ফেলে দেয়া।
জনগণের কণ্ঠনালী কেটে গণতন্ত্রকে কবরস্থ করার ঐতিহ্য এদেশে একমাত্র আওয়ামী লীগের। সেজন্য বাকশালকে চূড়ান্ত রূপে দাঁড় করানো হয়েছে। এজন্য বেগম জিয়াকে বন্দী করার ফন্দি থেকে শুরু করে গণমাধ্যমকে শুধুমাত্র সরকারের সকল বার্তা প্রচারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।