ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৯:১০ ঢাকা, রবিবার  ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

খালেদাকে গ্রেফতারের পরোয়ানা থানায়

Like & Share করে অন্যকে জানার সুযোগ দিতে পারেন। দ্রুত সংবাদ পেতে sheershamedia.com এর Page এ Like দিয়ে অ্যাক্টিভ থাকতে পারেন।

 

দুর্নীতির দুই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা গুলশান, ক্যান্টনমেন্ট ও রমনা থানায় পাঠানো হয়েছে। এব্যাপারে গুলশান থানা জানায়, এখন পর্যন্ত তারা খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত গ্রেফতারি পরোয়ানা হাতে পাননি। পরোয়ানা জারির পর কিছু প্রক্রিয়া রয়েছে। প্রক্রিয়া শেষে তারা পরোয়ানা হাতে পেলে ব্যবস্থা নেবেন।

এর আগে দুদকের দায়ের করা দুটি দুর্নীতি মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের শুনানিতে হাজির না হওয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ৩জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে বিশেষ জজ আদালত।
বুধবার সকালে ঢাকার বকশীবাজার এলাকায় আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে অবস্থিত তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদ্দার এ গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ জারি করেন। একই সঙ্গে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ৪ মার্চ আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াসহ ৯ জনের আদালতে হাজির হওয়ার দিন ছিল আজ বুধবার।
বেগম খালেদা জিয়া হরতাল-অবরোধে নিরাপত্তাজনিত কারণে আদালতে হাজির হতে পারেননি তা জানিয়ে তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া সময়ের আবেদন করেন। এছাড়া বিচারক বদল চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন থাকায় সাক্ষ্যগ্রহণ মুলতবি রাখার আবেদন করা হয়।
আদালত সময় আবেদন বাতিল করে খালেদা জিয়াসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা অন্য দুই আসামি হলেন-  মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ।
পরে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি প্রত্যাহার চেয়ে আরেকটি আবেদন করেন। আবেদনের শুনানি গ্রহণ করে তা খারিজ করেন আদালত। এছাড়া ৪ মার্চ পর্যন্ত সাক্ষ্যগ্রহণ মুলতবি করা হয়।
আজ আদালতে সাক্ষ্য দেন দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ।
গত বছরের ১৯ মার্চ খালেদা জিয়াসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুবেদ রায়।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
এ মামলার অপর আসামীরা হলেন-খালেদার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও  সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।
অপরদিকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় আরও একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া অন্য আসামীরা হলেন, মাগুরার সাবেক সাংসদ কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।