ব্রেকিং নিউজ

সকাল ১০:০৪ ঢাকা, রবিবার  ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

খালেদা জিয়া
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া

‘খালেদাকে গ্রেফতারের আবেদন পুলিশের’

রাজধানীর মিরপুর এলাকায় নাশকতার দুই মামলায় হুকুমের আসামি হিসেবে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে গ্রেফতারের আবেদন করেছে পুলিশ।

দারুস সালাম থানার গাবতলীতে বাসে আগুন দেয়ার মামলায়  এবং শাহ আলীতে ককটেল বিস্ফোরণের মামলায় আদালতে জমা দেয়া অভিযোগপত্রে এ আবেদন জানানো হয়।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন-খালেদা জিয়ার প্রেসসচিব মারুফ কামাল খান সোহেল, বিএনপি নেতা আমানউল্লাহ আমান, হাবিব উন নবী খান সোহেল, মীর শরাফত আলী, সৈয়দা আশিফা আশরাফী পাপিয়া, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রমুখ।

মামলার নথি থেকে জানা গেছে, ২০১৫ সালের শুরুতে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নতুন নির্বাচনের দাবিতে দেশব্যাপী অবরোধ কর্মসূচি পালন করে বিএনপি।

এ কর্মসূচির মধ্যেই ওই বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি শাহআলী মাজারের পাশে কাঁচাবাজারে ককটেল বিস্ফোরণ ও আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শাহআলী থানায় একটি মামলা দায়ের করে পুলিশ।

এদিকে একই বছরের  ৩ মার্চ গাবতলী বাস টার্মিনাল সংলগ্ন গ্রেটওয়াল মাঠে বাসে পেট্রল ঢেলে আগুন দেয়া হয়। এ ঘটনায় দারুস সালাম থানায় একটি মামলা করে পুলিশ।

এ মামলার এজাহারে খালেদা জিয়ার নাম উল্লেখ ছিল না। তবে মামলার সাক্ষী লুৎফুর রহমানের জবানবন্দির ভিত্তিতে ইন্ধনদাতা হিসেবে খালেদা জিয়াকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা দারুস সালাম থানার এসআই মো. শহীদুর রহমান।

সাক্ষী লুৎফুর জবানবন্দিতে বলেন, ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি থেকে বিএনপি দেশব্যাপী অবরোধ ও হরতাল কর্মসূচি ডাক দেয়। এই কর্মসূচি চলাকালে খালেদা জিয়া, তার প্রেসসচিব মারুফ কামাল খান সোহেল, বিএনপি নেতা আমানউল্লাহ আমান, হাবিব উন নবী খান সোহেল, মীর শরাফত আলী, সৈয়দা আশিফা আশরাফী পাপিয়া, সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর ইন্ধনে অপর আসামিরা বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়।

এদিকে দারুস সালাম থানার মামলার ২৭ আসামির মধ্যে খালেদা জিয়াসহ ২৪জনকে আসামি করে শাহআলী থানার মামলায় অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আবদুর রাজ্জাক।