ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৯:৩৭ ঢাকা, শুক্রবার  ২১শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

‘খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করতে হবে’

কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক সহযোগিতামূলক কার্যক্রম আরো জোরদার করতে হবে।
তিনি বলেন, মৃত্তিকা সম্পদের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে জমির উর্বরা শক্তি বৃদ্ধির জন্য সার্কভুক্ত দেশের কৃষি ক্ষেত্রে সহযোগিতা ও গবেষণা কার্যক্রম বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদদেক্ষপ নিতে হবে।
তিনি আজ ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে সার্কের ৩১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী এবং আন্তর্জাতিক মৃত্তিকা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব শ্যামল কান্তি ঘোষ, সার্কের মহাপরিচালক এস.এম .আনিসুল হক ও বিশ্ব খাদ্য সংস্থা বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি মাইক রবসন ।
এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ভারতীয় সবুজ বিপ্লবের জনক কৃষি বিজ্ঞানী অধ্যাপক এম.এস সামিনাথন।
কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী আরো বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতির পিতা বঙ্গন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই অঞ্চলের মৃত্তিকা সম্পদের যথাযথ ব্যবহার ও জমির উর্বরা শক্তি বৃদ্ধির জন্য অনেক পদদেক্ষপ গ্রহণ করেছিলেন। পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে বাধাগ্রস্ত হয়।
তিনি বলেন, সার্ক প্রতিষ্ঠার পর দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে যেসব কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে তা বাস্তবায়নে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। ২০৫০ সালের মধ্যে দারিদ্র বিমোচনের মাধ্যমে এই অঞ্চেলের জনগণের খাদ্য নিরাপত্তায় মৃত্তিকা সম্পদের সঠিক ব্যবহারের জন্য সার্কের কৃষি বিভাগকে আরো নতুন নতুন উদ্যোগ ও কর্মসুচি নিতে হবে ।
দারিদ্রতা নিরসন করতে হলে কৃষি উৎপাদন বাড়াতে হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাংলাদেশের কৃষি জমি ব্যবহারে লক্ষ্যে যেভাবে পরিকল্পিত উপায়ে কৃষি উৎপাদন বাড়াতে সক্ষম হয়েছে তা অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।
সার্ক সদস্য দেশের গৃহীত খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক প্রকল্পের জন্য সুস্পষ্ট নীতি ও কৌশল থাকা জরুরী বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সমন্বিতভাবে বহুমুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সার্কভুক্ত দেশের প্রচুর সুযোগ রয়েছে।
পরে মন্ত্রী মৃত্তিকা সম্পদের উপর রচনা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।
মূল প্রবন্ধে অধ্যাপক এম.এস সামিনাথন দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে মৃত্তিকা সম্পদের সঠিক ব্যবহারের জন্য যেসব পদক্ষেপ নেয়া উচিত তা তুলে ধরেন।