ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৬:২৫ ঢাকা, রবিবার  ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হবে: শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত,এবং সুখী-সমৃদ্ধ, অসাম্প্রদায়িক ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।এ লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে তিনি দলমত নির্বিশেষে সকলকে একযোগে কাজ করার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।
শেখ হাসিনা ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে এ আহবান জানান।
‘ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান’কে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এক তাৎপর্যপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, বাঙালির মুক্তি সনদ ৬ দফা, পরবর্তীকালে ১১ দফা ও ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের পথ বেয়ে রক্তাক্ত সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা মহান স্বাধীনতা অর্জন করেছি ।
তিনি বলেন,সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালে ঔপনিবেশিক পাকিস্তানী শাসন, শোষণ ও বঞ্চনা থেকে বাঙালি জাতিকে মুক্ত করতে ঐতিহাসিক ৬ দফা ঘোষণা করেন।  স্বাধিকার আন্দোলনের গতি হয় তীব্রতর।
পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠী আন্দোলনকে নস্যাৎ করার হীন উদ্দেশ্যে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে বঙ্গবন্ধুকে বন্দি করে। এ মামলার বিরুদ্ধে দেশব্যাপী ছাত্র-শ্রমিক-কৃষক-জনতা দুর্বার ও স্বতঃস্ফূর্ত গণআন্দোলন গড়ে তোলেন বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন।
শেখ হাসিনা বলেন,বঙ্গবন্ধুকে মুক্ত করা এবং পাকিস্তানী সামরিক শাসন উৎখাতের লক্ষ্যে ১৯৬৯ সালের এ দিনে সংগ্রামী জনতা শাসকগোষ্ঠীর দমন-পীড়ন ও সান্ধ্য আইন ভঙ্গ করে মিছিল বের করেন। মিছিলে পুলিশের গুলি বর্ষণে শহীদ হন নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর রহমান। জনতার রুদ্ররোষ এবং গণঅভ্যুত্থানের জোয়ারে স্বৈরাচারী আইয়ুব সরকার তথাকথিত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান অভিযুক্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবসহ সকলকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। পতন ঘটে আইয়ুব খানের স্বৈরতন্ত্রের।
তিনি বলেন, অপশাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান আজও আমাদের অনুপ্রাণিত করে। এই অনুপ্রেরণায় সকল শোষণ, বঞ্চনা ও বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
শেখ হাসিনা শহীদ মতিউরসহ মুক্তি সংগ্রামের সকল শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।