ব্রেকিং নিউজ

সন্ধ্যা ৭:০২ ঢাকা, বুধবার  ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

এএসআই মিঠুন দাস
ঝালকাঠি পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মিঠুন দাস

ক্রসফায়ারের হুমকি-টাকা আদায়, পুলিশ সদস্য ক্লোজড

‘ক্রসফায়ারের’ ভয় দেখিয়ে এক লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় ঝালকাঠি সদর থানার পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মিঠুন দাসকে ক্লোজড করা হয়েছে।

গত ২ জুলাই রাতে অভিযুক্ত এএসআই মিঠুন দাসকে সদর থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) জোবায়দুর রহমানের নির্দেশে প্রাথমিক শাস্তি হিসেবে মিঠুন দাসকে ক্লোজড (প্রত্যাহার) করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

ঘটনার বিবরণে জানাযায়, ঝালকাঠি পৌরসভার কর্মচারী ইয়াছিনকে ‘গত ১৪ জুন সন্ধ্যায় স্থানীয় চামটা বাজারের কাছে ডেকে নেয় এএসআই মিঠুনের সোর্স জনৈক তাজুল। ঘটনাস্থলে গেলে ইয়াছিনের পকেটে কয়েক পিস ইয়াবা ঢুকিয়ে দেয় পুলিশের ওই সোর্স। তখন পূর্বপরিকল্পিত ভাবে পাশেই থাকা এএসআই মিঠুন দাস মাদক রাখার তাঁরই সাজানো অভিযোগে ইয়াছিনকে আটক করেন। পরে তাকে পৌর কাউন্সিলর জাকিরের ইটভাটায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জিম্মি রেখে ইয়াছিনকে ক্রসফায়ারের ভয়ভীতি/হুমকি দেন এএসআই মিঠুন।

এরপরে ইয়াছিন ক্রসফায়ারের হুমকিতে ভয় পেয়ে এএসআই মিঠুনের দাবীকৃত ২ লাখ টাকার ১ লাখ টাকা অনেক দফারফার পরে নিজ মোটরসাইকেল জিম্মায় রেখে এএসআই মিঠুনকে প্রদান করে। এক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারী ছিলেন ওই ইটভাটার মালিক পৌর কাউন্সিলর জাকির। পরে বিষয়টি জানাজানি হয়ে যায়। সংবাদ মাধ্যমেও খবর প্রকাশিত হলে ঝালকাঠি পুলিশে শুরু হয় তোলপাড়। পরে পুলিশ সুপার ইয়াছিনকে ডেকে নিয়ে তাঁর কাছ থেকে পুরো ঘটনা জানতে পেরে অভিযুক্ত এএসআই মিঠুন দাসের বিরুদ্ধে প্রাথমিক পর্যায়ের এ বিভাগীয় ব্যবস্থা নিলেন তিনি।