ব্রেকিং নিউজ

রাত ৮:৩০ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২১শে আগস্ট ২০১৮ ইং

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল

কোরআন ধারণকারীরা সন্ত্রাসী হতে পারেন না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, মাদ্রাসার শিক্ষকরা ইসলামি শিক্ষা ছড়িয়ে দিয়ে দেশকে আলোকিত করছেন। কোরআন ধারণকারীরা সন্ত্রাসী হতে পারেন না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, এ দেশের মানুষ ধর্মভীরু কিন্তু ধর্মান্ধ নয়। মানুষ জঙ্গিবাদ পছন্দ করে না; প্রশ্রয় দেয় না। আজান পড়লেই মানুষ মসজিদের পথ ধরে। মাদ্রাসার শিক্ষকরা ধর্মের কথা বলেন নবীর কথা বলেন। তারা ইসলামি শিক্ষা ছড়িয়ে দিয়ে দেশকে আলোকিত করছেন। যারা মাথায় কোরআন ধারণ করেন তারা কখনো সন্ত্রাসী হতে পারেন না। তিনি বলেন, সারা পৃথিবীতে মুসলমানদের নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। মুসলমানদের বিরুদ্ধে প্রকাগান্ডা প্রচার করা হচ্ছে। আমি স্পষ্ট করে বলছি মাদরাসায় ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা দেয়া হয়। যারা জঙ্গিপনা করছেন তারা ইসলাম ধর্মের ওপর কালিমা লেপন করতেই এসব করছেন।

সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, এদেশে কোরআন বিরোধী কোনো আইন হবে না। শিক্ষকদের দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, আপনাদের দাবি আমি কখনো ভুলিনি। ইতোমধ্যেই ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয়, মাদরাসা অধিদপ্তর, বেতনসহ অন্যান্য অনেক দাবি পূরণ করা হয়েছে। এখন চাকরি জাতীয়করণ ছাড়াও যে দাবিগুলো রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরবো। আশা করি তিনি সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে কথা বলে বিবেচনা করবেন। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, মাদ্রাসা জঙ্গিবাদের কারখানা নয়। দেশকে ধ্বংস করতে অনেকে ইসলামের নামে অপপ্রচার চালিয়ে আমাদের সন্তানকে জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িয়ে ফেলছে। এ বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।

মাদ্রাসা শিক্ষা জাতীয়করণসহ চার দফা দাবিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন। শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সংগঠনের মহাসম্মেলনে উপস্থিত প্রধান অতিথি শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা শাব্বীর আহমদ মোমতাজী। স্মারকলিপিটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে পৌঁছানোর ঘোষণা দেন মন্ত্রী।

বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের এসব দাবির মধ্যে রয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষক কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণ, শিক্ষক কর্মচারীদের চাকরির বয়সসীমা ৬৫ বছর করা, শিক্ষার্থীর সংকট দূর করার জন্য সংযুক্ত ও স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসাগুলোকে প্রাইমারি স্কুলের ন্যায় জাতীয়করণের আওতাভুক্ত করা, উপবৃত্তি প্রদান ও টিফিনের ব্যবস্থা করা এবং নতুন ইবতেদায়ী মাদ্রাসার পথ খুলে দেয়া।