ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৩:০৮ ঢাকা, রবিবার  ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

কোন দেশে হস্তক্ষেপের আগে জাতিসংঘের সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী আজ বলেছেন, শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের চিরাচরিত দায়িত্ব থেকে সংঘাতপূর্ণ কোন দেশে হস্তক্ষেপকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার আগে জাতিসংঘকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
তিনি বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের মূলনীতি হচ্ছে- আত্মরক্ষা ব্যতীত শক্তির ব্যবহার না করা, যা জাতিসংঘ সনদেরই নিহিত রয়েছে। এটা বিষয়টি সবাইকে বিবেচনায় রাখতে হবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজ ঢাকা সেনানিবাসের কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম নিয়ে এক আঞ্চলিক পরামর্শ সভা উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ সরকার ও ‘ইউএন হাই লেভেল ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্যানেল অন পিস অপারেশন’ যৌথভাবে এ আঞ্চলিক পরামর্শ সভার আয়োজন করে।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের শীর্ষস্থানীয় অংশগ্রহণকারী রাষ্ট্র বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ পরামর্শ সভার আয়োজন করে।
শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, উচ্চ পর্যায়ের প্যানেলের উচিত শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আইনি বাধ্যবাধকতা সহ পরামর্শ দেয়া।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা সম্মেলনে একগুচ্ছ প্রস্তাবনা ও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং সেখানে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট, রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট, জাপান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীদের সাথে তিনি যৌথভাবে সভাপতিত্ব করেন।
মাহমুদ আলী বলেন, হাইতি ও গনতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের নারী পুলিশ ইউনিটের সাফল্যে ভিত্তিতে বাংলাদেশ তার সব কন্টিনজেন্টে নারী সদস্যদের রাখতে চায়।
তিনি আরও বলেন, সরকার ঢাকায় একটি ‘পিস বিল্ডিং সেন্টার’ প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
সভার উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ‘ইউএন হাই লেভেল ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্যানেল অন পিস অপারেশন’-এর চেয়ারম্যান এবং শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী পূর্ব তিমুরের সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসে রামোস হোর্তা।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব ড. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লে. জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক প্রমুখ।