হামলায় রক্তাক্ত সোহরাব হোসেন।
হামলায় রক্তাক্ত কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা সোহরাব হোসেন। গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল। ছবি: প্রথম আলোর সৌজন্যে

কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতাদের ওপর হামলা

কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের পাঁচ জন নেতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের হামলায় আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর দ্য ডেইলি স্টার অনলাইনের।

আজ রোববার বেলা আড়াইটার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় তাদের ওপর হামলা হয়।

আহতরা হলেন, বিন ইয়ামিন মোল্লা, তারেক রহমান, আহমেদ কবীর, জসিম উদ্দিন আকাশ ও সোহরাব হোসেন। আহত পাঁচ জনই কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্র সংগঠনটির যুগ্ম আহ্বায়ক।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি জানান, আজ বিকেল ৩টায় টিএসসির সামনে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের একটি মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের কথা ছিল। কিন্তু মানববন্ধন শুরু হওয়ার আধা ঘণ্টা আগেই ছাত্রলীগ তাদের ওপর হামলা চালায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কর্মসূচির প্রস্তুতি নেওয়ার সময় টিএসসির ফটকে তালা দিয়ে তাদেরকে বেধড়ক মারধর করে জখম করা হয়।

আহতদের মধ্যে সোহরাব হোসেনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তার অবস্থা গুরুতর। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, “সহিংসতামুক্ত নির্বাচনের দাবিতে ‘নিরাপদ বাংলাদেশ চাই’ ব্যানারে আমাদের মানববন্ধন করার কথা ছিল। দুপুর আড়াইটার দিকে টিএসসিতে দুপুরের খাবার খাওয়ার সময় শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক শাখা ছাত্রলীগের স্কুল বিষয়ক সম্পাদক শহীদুল শান ও জিয়াউর রহমান হল ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সোহানুর রহমানের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন বিনা কারণে আমাদের ওপর হামলা চালায়।”

তিনি বলেন, “ছাত্রলীগের হামলাকারীরা আমাদের অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে এলোপাথাড়ি কিল-ঘুষি মেরেছে।”

আহতদের দাবি, হামলাকারীরা সবাই ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাসের অনুসারী। এ ব্যাপারে সঞ্জিতের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত নন। তবে তিনি ক্ষতিয়ে দেখবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক একেএম গোলাম রব্বানী বলেন, ঘটনার ব্যাপারে কেউ তার কাছে অভিযোগ জানাননি। –দ্য ডেইলি স্টার