ব্রেকিং নিউজ

সন্ধ্যা ৬:১৮ ঢাকা, মঙ্গলবার  ১১ই ডিসেম্বর ২০১৮ ইং

ড. হাছান মাহমুদ মির্জা - ফখরুল ইসলাম
ড. হাছান মাহমুদ মির্জা - ফখরুল ইসলাম

কেন অভদ্র হয়ে যাচ্ছেন? ফখরুলকে -হাছান

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দলের অন্যতম মুখপাত্র ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির কার্যালয় ভাংচুরের ঘটনা এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার আদালতে যাওয়া আসার পথে ঘটনা, মির্জা ফখরুলের মিথ্যাচার সবকিছু একই সুত্রে গাঁথা।

শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত ‘দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পায়তারার প্রতিবাদে’ মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, যারা প্রথমে ঢাবি ভিসির কার্যালয় ঘেরাও করলো, ভিসিকে অপদস্থ করলো, ভিসিকে গালাগাল দিলো এবং তার কার্যালয়ের তিনটা গেইট ভাংচুর করলো, ছাত্রলীগের নারী নেত্রীদের লাঞ্ছিত করেছিল তাদের অপরাধ সবচেয়ে বেশি। পরবর্তী ঘটনা প্রবাহসহ পুরো ঘটনাটি অনভিপ্রেত।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, যারা প্রথমে ভিসির কার্যালয়ের গেইট ভাংচুর করেছে ভিসিকে অপদস্থ করেছে তাদের অপরাধকে আড়াল করার জন্য একটা পক্ষ ছাত্রলীগের দোষ খোজার চেষ্টা করছে। ছাত্রলীগকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য একটি পক্ষ সব সময় তৎপর থাকেন। এই ঘটনার পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আরাফাত রহমান কোকোর কবরের পাড়ে দাড়িয়ে যেই ভাষায় কথা বলেছেন আমি আর তাকে ভদ্র লোক বলতে পারিনা। তিনি ভদ্র লোকের বেশ ধরে যে শব্দ গুলো উচ্ছারণ করেছেন আমি সেই শব্দগুলো এখানে উচ্ছারণ করতে পারছি না।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের প্রতি প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, আপনি ভদ্র লোক ছিলেন দিন দিন কেনো আপনি অভদ্র হয়ে যাচ্ছেন?

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে ৮% ভোট পাবে এবং বেগম জিয়ার বিচারের রায় আগে থেকে লেখা হয়ে গেছে’ মির্জা ফখরুলের সাম্প্রতিক বক্তব্যের সমালোচনা করে সাবেক বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম কি এখন বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্বের পাশাপাশি জ্যোতিষী সমিতির মহাসচিবের দায়িত্ব নিয়েছেন? সম্ভবত তিনি জ্যোতিষী সমিতির সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও নিয়েছেন।

বাংলাদেশের আদালত স্বাধীন উল্লেখ তিনি বলেন, বাংলাদেশের সমস্ত আদালত স্বাধীন বিধায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের টিকেটে নির্বাচিত এমপি কারাগারে আছে এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রীদের আদালতে হাজিরা দিতে হয় এমনকি মন্ত্রীদের আদালতে গিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হয়। বাংলাদেশের আদালত স্বাধীন বিধায় আওয়ামী লীগ এবং ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিচার হয় ফাসি হয়। বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে আদালত স্বাধীন ছিলো না বিধায় মির্জা ফখরুল ইসলাম সাহেবরা মনে করেন তাদের সময় আদালত যেভাবে কাজ করতো এখনো মনে হয় সেই ভাবে আদালত কাজ করে। আদালত স্বাধীন বেগম জিয়ার শাস্তি হতে পারে এবং খালাসও পেতে পারেন।

বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্য করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আপনারা দেশে অতিথে আগুন জ্বালিয়েছেন এবং সেই আগুনে আপনারা পুড়েছেন। আবার যদি বাংলাদেশে আগুন জ্বালানোর চেষ্টা করেন সেই আগুনে আপনারাই জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়ে যাবেন। জনগন প্রতিহত করবে।

এসময় তিনি আওয়ামী লীগের সমস্ত পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সর্তক থাকার আহবান জানান।

আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন টয়েলের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আকতার হোসেন, তাঁতী লীগের কার্যকরি সভাপতি সাধনা দাস গুপ্তা, ফ্রান্স আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ সেলিম, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা প্রমুখ।

শীর্ষ মিডিয়া