Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

ভোর ৫:৩৪ ঢাকা, শুক্রবার  ১৬ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

সাইট ইন্টেলিজেন্স প্রকাশিত হামলাকারীদের ছবি

‘কেউ হামলাকারীদের লাশ নিতে আসেনি’

গুলশানের হলি আর্টিজান ক্যাফেতে হামলার ঘটনা অবসানে শনিবার সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে কমান্ডো অভিযান চালানোর পর আইএসপিআরের পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছিলো ছয়জন হামলাকারীকে হত্যা করা হয়েছে এবং একজন ধরা পড়েছেন। যদিও তার পরিচয় জানানো হয়নি।

এই ছয়জনের লাশই এখন ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের হিমঘরে রয়েছে।

সেনাবাহিনীর প্রভোস্ট মার্শাল জানিয়েছেন, হিমঘরে রাখা ছয়টি লাশের কোনটিই কেউ এখনো নিতে আসেনি।

তিনি বলছেন, এগুলোর দায়িত্ব পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এদিকে, নিউ ইয়র্ক টাইমসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে নিহত হামলাকারীদের একজনের বাবা জানিয়েছিলেন তিনি ছেলের লাশ আনতে যাবেন না।

গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, ছয়টি লাশের মধ্যে এ পর্যন্ত পাঁচজনকে শনাক্ত করা হয়েছে।

এখনো একটি লাশের পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি। তবে, তিনিও জানাচ্ছেন এখনো কোন লাশ নিতে আসেনি কোন পরিবার।

মি. ইসলাম বলছেন, পরিবার লাশ নিতে না আসলেও, তদন্তের স্বার্থে সেগুলো সংরক্ষণ করা হবে।

একটি নির্দিষ্ট সময় পরেও কেউ না আসলে, সেগুলো হয়ত আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে দাফনের ব্যবস্থা করা হবে।

তবে, দেশের কয়েকটি জায়গা থেকে সন্তান নিখোঁজ রয়েছে, এবং ঐসব লাশের সঙ্গে নিজের স্বজনের মিল রয়েছে কিনা দেখার আগ্রহ প্রকাশ করে কয়েকটি ফোন পেয়েছেন বলে উল্লেখ করছিলেন মি. ইসলাম।

তবে, পুলিশ প্রথমে নিহত ঐ ছয়জনকেই জঙ্গি হিসেবে বর্ণনা করলেও, মঙ্গলবার গুলশান থানার একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, নিহতদের মধ্যে একজন ওই রেস্তোরাঁর কুক ছিলেন বলে তারা পরে জানতে পেরেছেন।

তবে ওই কুক নিরাপত্তার বাহিনীর গুলিতে নাকি হামলাকারীদের হাতে মারা গেছেন সে বিষয়ে তিনি কিছু বলেন নি। খবর বিবিসি বাংলার।