ব্রেকিং নিউজ

রাত ১২:৫৮ ঢাকা, বুধবার  ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ফাইল ফটো

কেউই ক্ষুধার্ত ও গৃহহীন থাকবে না : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর সরকার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ইতোমধ্যে বিদেশ থেকে খাদ্যশস্য আমদানি শুরু করেছে, যাতে দেশে খাদ্য সংকট দেখা না দেয়।

আজ প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার অনুদানের চেক গ্রহণের পর তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে কেউই ক্ষুধার্ত ও গৃহহীন থাকবে না এবং সবাই স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা পাবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

শেখ হাসিনা বলেন, বন্যার সময় যারা নদী ভাঙনে গৃহহীন হয়েছে, তাদের জন্য বাড়ি নির্মাণে ইতোমধ্যে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাদের ক্ষতিগ্রস্ত ঘর-বাড়ি পুনঃনির্মাণেও সহায়তা দেয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখনই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালীকরণে কাজ করেছে। পাশাপাশি জনগণের মৌলিক চাহিদার পূরণের মাধ্যমে দেশকে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, উন্নয়নের পথে বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার অনেক প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। কিন্তু ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ের মাধ্যমে আমরা ক্ষমতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পেরেছি এবং সাহসের সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছি। এ ধারাবাহিকতার কারণে উন্নয়নের প্রবাহ অব্যাহত রয়েছে এবং বাংলাদেশের জনগণ এর সুফল পাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকারের মূল নীতি হচ্ছে তৃণমূল জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা। সে অনুযায়ী আমরা পরিকল্পনা প্রণয়ন, বাজেট তৈরি এবং তা বাস্তবায়ন করছি। ফলে সাধারণ মানুষ এর সুফল পাচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশে বারবার প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসবে। এ দুর্যোগকে মোকাবেলা করে আমরা এগিয়ে যাবো। আমরা ইতোমধ্যে প্রমাণ করেছি যে, আমরা এসব দুর্যোগ সফলতার সঙ্গে মোকাবেলা করতে পারি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বন্যাদুর্গত মানুষকে সহায়তা প্রদান ও পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, যাতে তারা আবার নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে।

তিনি বলেন, ভৌগলিকভাবে বাংলাদেশ এমন একটি দেশ যেখানে বারবার প্রাকৃতিক দুর্যোগ আঘাত হানে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করে আসছে। আমরা ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই আমাদের সরকার খুবই সতর্ক রয়েছে এবং জীবন ও সম্পদের ক্ষয়-ক্ষতি সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখার জন্য আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।