Press "Enter" to skip to content

কৃষি প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি দেখছি : কৃষিমন্ত্রী

কৃষি প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি দেখছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি কৃষি সংক্রান্ত প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি আনতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমাদের প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে ধীরগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ৮টি সাইলো (আধুনিক খাদ্যগুদাম) নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করা হয় ২০১০ সালের দিকে, যা ২০১৯ সালে শেষ হওয়ার কথা। অথচ, সেগুলোর মাত্র তিনটির কাজ শুরু হয়েছে, বাকি পাঁচটির কোনো খবর নেই। এগুলো বাস্তবায়ন হলে এবার ধান সংরক্ষণ করা যেত অনেক বেশি।

কৃষিমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (২০১৯-২০) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এ সব কথা বলেন।

মন্ত্রণালয়ের অধিনস্ত ১৭টি দফতর ও সংস্থার সঙ্গে কৃষি মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসিরুজ্জামান দফতর প্রধানদের সঙ্গে আলাদা কর্মসম্পাদন চুক্তি সই করেন এবং তা কৃষিমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, যারা মন্ত্রণালয়ের ডেস্কে কাজ করেন তাদের জন্য, কোনো ফাইল কবে কখন কোথায় যায়, সে সম্পর্কে মনিটরিং বাড়াতে হবে। বিনা কারণে কোনো ফাইল যেন পড়ে না থাকে। তাহলে, আমাদের কাজে গতি বাড়বে।

তিনি বলেন, ধানের দাম নিয়ে আমরা অস্বস্তির মধ্যে আছি। এ জন্য চাল রফতানির সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শুধু সিদ্ধান্ত নিলে হবে না। আমাদের আন্তর্জাতিক বাজারে যেতে হবে। চাল রফতানিতে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের আরও উদ্যোগী হতে হবে।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে কৃষিমন্ত্রী বলেন, কাজ করতে হবে দেশের জন্য, জনগণের জন্য, এ দেশের খেটে খাওয়া মেহনতি মানুষের জন্য। দেশ সেবার ব্রত নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, আপনাদের প্রচেষ্টা ও দক্ষতায় দেশ বর্তমানে স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়শীল দেশে উন্নীত হয়েছে। এক্ষেত্রে কৃষকরা অপরিসীম ভূমিকা রেখেছেন। আমাদের ভিশন ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়ন করে উন্নত দেশের মর্যাদা অর্জন করতে হবে। এরপর রয়েছে ডেল্টা প্লান ২১০০।

শেয়ার অপশন: