Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৫:৩৭ ঢাকা, শুক্রবার  ১৬ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

‘কৃষিখাতে চ্যালেঞ্জ জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলা’: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বিশেষ করে ধানসহ বিভিন্ন ফসলের লবণাক্ততা-সহিষ্ণু জাত উদ্ভাবনে গবেষণা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেছেন, কৃষিখাতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলা করা বাংলাদেশের জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ফসলের লবণাক্ততা-সহিষ্ণু জাত উদ্ভাবন গবেষণা জোরদার করতে হবে। কারণ জলবায়ুর নেতিবাচক প্রভাবে লবণাক্ততার স্তর বৃদ্ধি, উৎপাদন হ্রাস ও উপকূলীয় অঞ্চলের সঙ্গে নিচু এলাকা ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি আজ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সপ্তম সমাবর্তনে ভাষণকালে এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি হামিদ কৃষিখাতের উন্নয়ন দ্রুততর করতে সরকারের পাশাপাশি কৃষক ও কৃষিবিদদেরও কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নের কোন বিকল্প নাই। দেশের ধারাবাহিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য কৃষক, কৃষিবিদ এবং এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে বর্তমান সরকার তার ‘ভিশন-২০২১’ এ কৃষিখাতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন প্রচেষ্টার সাফল্যের জন্য কৃষক ও কৃষির উন্নয়ন প্রয়োজন। কারণ টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য কৃষির ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
কৃষির উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের উল্লেখ করে তিনি বলেন, কৃষকের কাছে সার পৌঁছে দেয়া ও সেচের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহসহ সরকারের বাস্তবমুখী ও সময়োচিত পদক্ষেপের ফলে কৃষিখাতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে।
কৃষির উন্নয়নে কৃষিবিদ বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়টির স্নাতকধারীদের ভূমিকার প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্প্রতি নেয়া ইন্টার-ডিসিপ্লিনারি সেন্টার (আইসিএফ) হচ্ছে অন্যতম এক গবেষণা-উদ্যোগ। ডাচ সরকারের আর্থিক সহায়তায়  স্নাতকোত্তর ডিগ্রি দেয়া হচ্ছে এবং আইসিএফ-এর আওতায় একটি খাদ্য নিরাপত্তা ল্যাব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া হাওর ও চর উন্নয়ন ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া চলছে।
ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আলী আকবর অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।
প্রফেসর ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী সমাবর্তন বক্তৃতা দেন।
সমাবর্তনে মোট ৪,৯০৮ শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি এবং ৯৩ কৃতী শিক্ষার্থীকে স্বর্ণপদক দেয়া হয়।