Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ২:২৫ ঢাকা, বুধবার  ১৪ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

কুয়েতে বোমা হামলা ও ফ্রান্সে সন্ত্রাসী হামলায় প্রধানমন্ত্রীর নিন্দা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুযেত নগরীর একটি মসজিদে বোমা হামলার নিন্দা জানিয়ে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কুয়েত এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের সঙ্গে একসাথে কাজ করতে তাঁর সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
শেখ হাসিনা আজ কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী শেখ জাবের আল-মুবারক আল হামাদ আল সাবাহ’র কাছে পাঠানো এক বার্তায় কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী এবং বোমা হামলায় হতাহতদের পরিবারের সদস্যদের ও সে দেশের ভ্রাতৃপ্রতিম সকল জনগণের প্রতি তাঁর গভীর শোক ও আন্তরিক সহানুভূতি প্রকাশ করেন। বার্তায় তিনি এই হামলার ঘটনাকে খুবই দুঃখজনক ও উদ্বেগের বিষয় বলে উল্লেখ করেন। এই জঘন্য হামলায় ২৭ জন নিহত এবং ২৭৭ জন আহত হয়। গতকাল জুম্মার নামাজ শেষে কুয়েতের আল সাবার জেলায় ইমাম আল সাদিক মসজিদে এই বোমা হামলার ঘটনা ঘটে।
শেখ হাসিনা বার্তায় কুয়েতের প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, বাংলাদেশের জনগণ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আপনার লড়াইয়ে সংহতি প্রকাশে আমার সঙ্গে আছে। বার্তায় তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ যে কোন সন্ত্রাসের নিন্দা জানায়।
শেখ হাসিনা বার্তায় কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী শেখ জাবের আল মুবারক আল হামাদ আল সাবাহ’র সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং ভ্রাতৃপ্রতিম কুয়েতি জনগণের সুখ ও অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

ফ্রান্সে সন্ত্রাসী হামলা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফ্রান্সের লিয়ন শহরের কাছে একটি গ্যাস কারখানায় সন্ত্রাসী হামলার কঠোর নিন্দা জানিয়েছেন।
গতকাল সেখান থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় এবং সেখানে বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে।
আজ ফরাসি প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওঁলাদকে পাঠানো এক বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, ‘নিষ্ঠুর সন্ত্রাসী বাহিনী পুনরায় যে কাপুরোচিত হামলা চালিয়েছে তা সভ্য মানবতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অবশ্যই সম্পূর্ণ নির্মূল করতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশের মানুষ সন্ত্রাস এবং যে কোন প্রকার জঙ্গি উগ্রবাদের বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে ফ্রান্সের বন্ধুপ্রতীম জনগণের পাশে দৃঢ়ভাবে রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা আপনি এবং ফরাসী জনগণ এবং বিশেষ করে সন্ত্রাসী হামলায় হতাহতদের নিকট ও আপনজনদের প্রতি গভীর শোক ও আন্তরিক সহানুভূতি জানাচ্ছি।’
শেখ হাসিনা সন্ত্রাসবাদ ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে তাঁর সরকারের জিরো টলারেন্সের কঠোর নীতির কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বের সভ্য, গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ মানুষ সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই অব্যাহত রাখব। ধর্ম-বর্ণ ও জাতি-গোষ্ঠী নির্বিবাদে এদের একমাত্র পরিচয় হবে সন্ত্রাসী।’
লিয়নের প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে সেন্ট কোয়েটিন ফ্যালাভিয়ারে ইউএস মালিকানাধীন একটি কারখানায় বিস্ফোরণে দু’ব্যক্তি আহত হন।